ইবিতে কোরবানির আনন্দ ভাগ করে নিল ছাত্রশিবির


ইবিতে কোরবানির আনন্দ ভাগ করে নিল ছাত্রশিবির

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ছয়টি গরু এবং দুইটি খাসি কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে অমুসলিম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন ও ক্যাম্পাসের বিদেশি শিক্ষার্থী, কর্মচারী, নিরাপত্তাকর্মী, দোকানি, মালি'সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণের মাধ্যমে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করেন তারা। তবে, ক্যাম্পাসে কোরবানি করতে না পেরে কিছুটা ভারাক্রান্ত হয়েছে সংগঠনটি।


শনিবার (৭ জুন) সকালে ঈদের নামাজের পর আনন্দনগর, মদনডাঙ্গা, মধুপুর, সাকসেস কোচিং সেন্টার'সহ বিভিন্ন স্থানে কোরবানি কার্যক্রাম পরিচালনা করেন তারা। অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় দুপুরে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অমুসলিম ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৫০ জন অংশগ্রহণ করে।

ইবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মু. মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও আমরা কোরবানি করেছি। প্রায় দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরেছি। তবে কোরবানি যদি ক্যাম্পাসে করতে পারতাম তাহলে আরও ভালো লাগত। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় কোরবানি বাইরে করতে হয়েছে। কোরবানি ঈদের আনন্দে কিছুটা অপূর্ণতা রয়ে গেলো। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগামীতে ক্যাম্পাসে আবাসিক হলসমূহ খোলা রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তিনি আরও বলেন, এবার ঈদুল আজহার ছুটিতে ক্যাম্পাসের আশেপাশে মেসে বা বাসায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা পরিবার-পরিজনের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তাদের কথা ভেবেই এক আনন্দঘন মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছি। শুধু মুসলিম শিক্ষার্থীই নয়, আমাদের অমুসলিম ভাই-বোনদের জন্যও আয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। কারণ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। এটি আসলে আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং একাত্মতার বহিঃপ্রকাশ। তবে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় এই আয়োজন সংক্ষিপ্ত পরিসরে হয়েছে কারণ শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলে থাকতে পারিনি। আবাসিক হলসমূহ খোলা থাকলে এই ঈদ আনন্দ শতগুণে উপভোগ্য হতো। তবে ক্যাম্পাস খোলা হলে আরও কিছু আয়োজনের পরিকল্পনা আছে।

Ads