দেশে গ্যাস সঙ্কট শিগগিরই কাটবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

নয়ন তারা

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম


দেশে গ্যাস সঙ্কট শিগগিরই কাটবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী


দেশে চলমান গ্যাস সঙ্কটকালে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস-২৮ নম্বর কূপের গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকৃত এ কূপ থেকে দৈনিক ১২-১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে। উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে, বাড়বে গ্যাসের সরবরাহ। ফলে দেশে চলমান গ্যাস সঙ্কট শিগগিরই কেটে যাবে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহমুদ শ্যামল এম.পি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুল আলম, বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিকসহ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও বিজিএফসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তিতাস-২৮ কূপের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দেশের গ্যাস সরবরাহ বাড়বে। এতে গ্যাস সংকট কিছুটা কমার পাশাপাশি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন আরো কয়েকটি গ্যাস কূপ খননের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলার আওতাধীন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির আওতায় তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, নরসিংদী, মেঘনা ও কামতা—এই ছয়টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। বহুজাতিক কম্পানি নাইকো'র কাছে হস্তান্তরের আগে ফেনী গ্যাসক্ষেত্রও বিজিএফসিএলের আওতাধীন ছিল। প্রতিষ্ঠানটির আওতাধীন গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে ভূকম্পন জরিপ, কূপ খনন, প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ, কূপমুখের সংকোচক যন্ত্রের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, উপজাত হিসেবে কনডেনসেট সংগ্রহ ও বিপণন এবং গ্যাসের গুণগত মান বজায় রেখে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের কাজ পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে বিজিএফসিএল দেশের মোট গ্যাস উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ এবং মোট সরবরাহের প্রায় ১৮ শতাংশ গ্যাস উৎপাদন করছে। এদিকে বিজিএফসিএলের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় নতুন গ্যাসের মজুদ অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলছে। হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ও তৎসংলগ্ন ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার এবং বাখরাবাদ, নরসিংদী ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্র এলাকায় ৫৭৫ বর্গকিলোমিটারসহ মোট এক হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের উত্তর-পশ্চিম ও নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্রের উত্তর-পূর্ব এলাকায় ৬৩২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের কার্যক্রম চলছে।

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ‘তিতাস ও কামতা গ্যাসক্ষেত্রে চারটি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন কূপ খনন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিতাস-২৮ নম্বর কূপটি খনন করা হয়। কূপটি খননের জন্য চীনের সিএনপিসি চুয়ানচিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল চুক্তি করা হয়। চুক্তির আওতায় তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ২০২৬ সালের ১৯ জুন শেষ হয়। কূপটি তিন হাজার ৬০১ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। পরে কূপটির সম্পন্নকরণ কাজ শেষ করে গ্যাসের চাপ ও উৎপাদন সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। এটি খননে মূল্য সংযোজন কর ও আয়করসহ প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এটি থেকে দৈনিক ১২-১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এ গ্যাস দেশের সামগ্রিক গ্যাস সংকট মোকাবেলায় সহায়কের পাশাপাশি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, 'আজ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় আমাদের শিল্প কারখানার চাকা সচল হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতি গতিশীল হবে। এছাড়া তিতাস-২৮, তিতাস-২৯, তিতাস-৩০ এবং তিতাস-৩১ কূপ খনন কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতে সম্মিলিতভাবে ১২০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল থেকে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট মিলিয়ে ৩৩শ' মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। এতে করে ২০৩০ সাল নাগাদ সম্ভাব্য ৫০০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা গেলে দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।'

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, 'দেশে গ্যাসের স্বাভাবিক চাহিদা ৩৮০০ এমএমসিএফডি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সংকটের পূর্বে সরবরাহ ছিল ২৬০০ থেকে ২৭০০ এমএমসিএফডি। এই সংকটের ফলে সরবরাহ কমে হয়েছে ২৩৫০ এমএমসিএফডি। তবে সরকারের জরুরি উদ্যোগের ফলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আমরা অনশোর ও অফশোর উভয় ক্ষেত্রেই অনুসন্ধান কাজ জোরদার করেছি। আজকে চালু হওয়া তিতাস-২৮ কূপ আমাদের আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক এবং এটি আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তার ভিতকে আরও মজবুত করবে।'

এদিকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদের আরও চারটি কূপ থেকে প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ কূপ খননের কাজ চলছে। এসব কূপের কাজ শেষ হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে মোট প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, 'উদ্বোধনের পরপরই কূপটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।'

‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাস-২৮, ২৯, ৩০ ও কামতা-২ নম্বর কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ আজ উৎপাদনে গেল এবং অন্য কূপগুলোর কাজও দ্রুত শেষ করে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, 'তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে কূপটির খনন গভীরতা প্রায় চার হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার, যা প্রায় ১০০ মিটার কমবেশি হতে পারে। গভীরতার কারণে কূপটির খনন ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগছে। কোনো ধরনের ভূতাত্ত্বিক জটিলতা দেখা না দিলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ করার আশা রয়েছে। কূপটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে সেখান থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।'

মাহমুদুল নবাব আরও জানান, 'তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে কূপটির লগিংসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। এসব কাজ শেষ করে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। তিতাস-২৯ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।'

এছাড়া তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজও আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখান থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বিজিএফসিএল। বিজিএফসিএল কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হওয়ার পর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপের খননকাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা চার হাজার ৫০০ মিটার, যা প্রায় ১০০ মিটার কমবেশি হতে পারে। সফলভাবে খনন ও পরীক্ষা সম্পন্ন হলে বাখরাবাদ-১১ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে তিতাস-২৮ থেকে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট যোগ হলে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মজুদ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে এর মজুদ আনুমানিক দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিতাস-৩১ একটি অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় এর মাধ্যমে নতুন গ্যাসের মজুদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কূপটির মাধ্যমে আরও প্রায় দুই টিসিএফ গ্যাসের মজুদ যুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত করতে কূপটির খনন শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে এবং পরীক্ষার ফল পাওয়ার পরই নতুন মজুদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সরকার গ্যাসে সংক্রান্তে আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ৩১টি কূপ খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং সাতটি খননকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, ১৫০টি কূপ খনন সম্পন্ন হলে ১৭৬২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। বিদ্যমান দুটি এফএসআরইউ থেকে ১১শ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পরিকল্পিত আরও দুটি এফএসআরইউ থেকে প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ও অন্যান্য অতিথিরা চলমান গভীর অনুসন্ধান কূপ তিতাস-৩১ ও তিতাস-২৯-এর খনন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, শিগগিরই দেশের গ্যাস সংকট কেটে যাবে। (ছবি : মেইলে সংযুক্ত)

Ads