জাপানের জনবল চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে বাংলাদেশ: মঈন খান
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জাপানের ক্রমবর্ধমান জনবল চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, দুই দেশের জনমিতিক বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।
শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ সেমিনার ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, জাপানে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। বিপরীতে বাংলাদেশে তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেশি। দুই দেশের এই জনমিতিক বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে।
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জাপানের জনবল চাহিদা—উভয় দিক থেকেই এ ধরনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তরুণরা জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে তাদের জীবনমান উন্নত হবে। একই সঙ্গে জাপানের সেবা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন। এজন্য জাপানে কর্মসংস্থানে আগ্রহী তরুণদের জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রয়োজনে জাপানি ভাষা শেখানোর জন্য দেশে বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মঈন খান।
সেমিনারে অংশ নেওয়া জাপানি প্রতিনিধিরা বলেন, দেশটিতে বাংলাদেশের মতো বিপুলসংখ্যক তরুণ জনগোষ্ঠী নেই। বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় জাপানের কনস্ট্রাকশন, কৃষি, ড্রাইভিং ও নার্সিংসহ বিভিন্ন খাতে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এসব খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তারা আরও বলেন, জাপানে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি তরুণদের জাপানি ভাষার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরি করা গেলে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হতে পারে।






























