খাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ২০ পরিবারকে ৬৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর
১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
ছবি: প্রতিদিনের চিত্র
খাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ২০ পরিবারের মধ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুরীকৃত ৬৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব চেক হস্তান্তর করা হয়। বিআরটিএ খাগড়াছড়ি সার্কেলের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিআরটিএ খাগড়াছড়ি সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী মো. মুছা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট ২০টি পরিবারের জন্য ২০টি চেক বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা এবং আহত আটজনকে এক লাখ টাকা করে মোট আট লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তার জন্য বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদনক্রমে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত, পুলিশ সুপার মোর্তোজা আলী খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শেখ জাবের আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রাহমান, বিআরটিএ খাগড়াছড়ি সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী মো. মুছা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্ল সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিআরটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, কোনো স্বজন বা পরিবারের সদস্য সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত হলে সংশ্লিষ্টদের স্থানীয় বিআরটিএ অফিসে ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের জন্য সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আগে থেকেই সবাইকে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে চালক, যাত্রী ও পথচারী সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা লাঘবে এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালক ও পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।



















