গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খাঁন
০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে বিসর্জন দিয়ে কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানই প্রথম বেইমানির নজির তৈরি করেছিলেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ এলাকার ঐতিহাসিক ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজ এলাকায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন বলেন, ডা. শফিকুর রহমানকে এতদিন রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত ও মজলুম নেতা মনে করা হলেও গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী কর্মকাণ্ডে তার ছদ্মবেশ উন্মোচিত হয়েছে। ক্ষমতায় আসার মোহে তারা সব ধরনের অন্যায়, মিথ্যাচার ও মুনাফেকির আশ্রয় নিয়েছে। এমনকি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী ‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রি করার মতো রাজনৈতিক প্রতারণাও চালিয়েছে।
দেশের উন্নয়ন ও ঐতিহাসিক সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন বলেন, বাংলাদেশের সর্বাঙ্গীন ইতিবাচক পরিবর্তন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই সূচিত হয়েছিল। একইভাবে সাধারণ জনগণ বিশ্বাস করে, ভবিষ্যতের নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ভূমিকা নিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সময় পর্যন্ত নাহিদ ইসলাম সঠিক আদর্শিক পথেই ছিলেন। তবে পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীর কৌশলী ফাঁদে পা দেওয়ার পর থেকেই তিনি মূল পথ থেকে বিচ্যুত ও বিপথগামী হয়েছেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

























