এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ সোমবার
০৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
অবশেষে অবসান ঘটছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ উদ্বেগের। শিক্ষা বোর্ডগুলোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে যাচ্ছে চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল।
আজ বৃহস্পতিবার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কার্যালয় থেকে বোর্ড চেয়ারম্যান এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। নির্ধারিত দিনে একই সাথে দেশের সকল সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ পাবে।
শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সহজে মোবাইল ফোনে বার্তা (এসএমএস) পাঠ্যে এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। স্ব স্ব বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট—eduboardresult.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd-এ প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর জমা দিয়ে নম্বরপত্রসহ ফল দেখতে পাবেন।
এছাড়া যেকোনো প্রিপেইড বা পোস্টপেইড মোবাইল সংযোগ থেকে এসএমএস পাঠিয়েও দ্রুত ফল জানা যাবে। এসএমএস পাঠানোর নিয়ম হলো:
সাধারণ বোর্ডের জন্য: মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে পাঠাতে হবে 16140 নম্বরে। (উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের জন্য SSC DHA 123456 2026)
মাদ্রাসা বোর্ডের (দাখিল) জন্য: মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD, স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং স্পেস দিয়ে বছর লিখে পাঠাতে হবে 16140 নম্বরে। (উদাহরণ: SSC MAD 123456 2026)
কারিগরি বোর্ডের জন্য: মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC, স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং স্পেস দিয়ে বছর লিখে পাঠাতে হবে 16140 নম্বরে। (উদাহরণ: SSC TEC 123456 2026)
চার্জ: প্রতিটি এসএমএসের জন্য সরকারি ও সব প্রকার ট্যাক্সসহ মোট ১.৩৯ টাকা ফি প্রযোজ্য হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে সারাদেশে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
গত ২১ এপ্রিল থেকে এ বছরের তত্ত্বীয় ও লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়ে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে ২০ মে এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে ২৪ মে শেষ হয়। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে (২০ জুলাইয়ের মধ্যে) ফল প্রকাশের কথা থাকলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার শিক্ষা বোর্ডগুলো এই ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে।



















