সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বিমল চন্দ্রের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ মে ২০২৪, ০৯:৫০ পিএম


সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বিমল চন্দ্রের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। 

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে।

বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে, তিনি হিসাব রক্ষকের সাথে যোগসাজসে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে এমনকি রোভার স্কাউটের টাকা তছরুপ করছেন। কলেজ উন্নয়নের নামে কমিটি না করে সৌন্দর্যবর্ধন অজুহাত দেখিয়ে ভুয়া বিল ভাউচার করে কলেজের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অধ্যাপক বিমল চন্দ্র নিজের পছন্দসই কর্মচারী দিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারে মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন ফান্ড হতেও লক্ষ লক্ষ  টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভবনের রং করা, মাটিভরাট, স্টোর রুম তৈরি, চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র নির্মাণ, জাহানারা ইমাম ভবন নির্মাণ ও মাঠ ভরাট নামে ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় কলেজের গাড়িও নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিয়োগ পাওয়া গেছে।

অধক্ষ্য আসবাবপত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিপিআর অনুসরণ না করেই টেন্ডারে অনিয়মের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। কলেজে ব্যবহৃত মালামাল অকেজো দেখিয়ে টেকনিক্যাল কমিটির মতামত না নিয়ে বিক্রি করছেন এবং সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজে আত্মসাত করছেন। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র দেয়ার নামে রিসিট না দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করছেন খোদ শিক্ষার্থীরা।

বোর্ড নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের কাজ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও মজিবর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ছাপানোর নামে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয় অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি ওই সব অভিযোগ নিয়ে বসে থাকেন। এ কথা বলেই ফোন রেখে দেন তিনি।

 

Ads