রাজস্ব আদায়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রেকর্ড
০১ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৪ পিএম
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ।
বৈশ্বিক মন্দার মাঝেও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সচল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনারের পাশাপাশি কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে। পাশাপাশি রেকর্ড ৬৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্বের জোগান দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। তবে গত অর্থ বছরের শুরুতে রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল দেশের অর্থনীতি। আবার ডলার সংকটে সীমিত করে আনা হয়েছিল পণ্য আমদানিও।
চরম রাজনৈতিক সংঘাত দিয়েই শুরু হয়েছিল ২০২৩-২৪ অর্থবছর। বিরোধী দলের অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি চলছিল অগ্নিসংযোগ এবং সংঘর্ষ। এর মাঝে বিশ্বমন্দার প্রভাবে সীমিত করে আনা হয়েছিল বিলাসবহুল পণ্য আমদানি। এতে প্রভাব পড়ে রফতানি বাণিজ্যেও। তবে ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অর্থনীতির মোড়ও ঘুরতে থাকে। আর অর্থবছর শেষ হয়েছে ১০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি নিয়ে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম সোহায়েল বলেন, বিশ্ব জুড়েই অস্থিরতা চলছে। অর্থনীতিও নিম্নমুখী। তবে এরমধ্যেই চট্টগ্রম বন্দরের আয় ঊর্ধ্বমুখী।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৩১ লাখ ৭০ হাজার কন্টেইনারের পাশাপাশি ১২ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন পণ্য হ্যান্ডলিং করেছে। তবে ২০২২-২৩ অর্থ বছর চট্টগ্রাম বন্দরে ৪ হাজার ২৫৩টি পণ্যবাহী জাহাজ আসলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাহাজ এসেছে ৩ হাজার ৯৬৪টি।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, কন্টেইনার এবং কার্গো উভয় ক্ষেত্রেই অগ্রগতি রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের।
এদিকে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হলেও বন্দরকে পুঁজি করে রেকর্ড ৬৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্বের জোগান দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। তবে আগের অর্থ বছরের চেয়ে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আদায় হয়েছে।































