কোটালীপাড়ায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকসহ আটক-৩
১৬ মার্চ ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
ছবি- সংগৃহীত।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও তার গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় দায়েরকৃত মামলায় চিকিৎসকসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪মার্চ) উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের নারায়ণ খানা বাজারের ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রসূতি আফরোজা বেগম ও তার গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
আফরোজা বেগম উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের কালারবাড়ি গ্রামের জাহিদুল ইসলাম খানের স্ত্রী।
শুক্রবার (১৫ মার্চ) প্রসুতি আফরোজা বেগমের মা মনিকা বেগম বাদী হয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রভাষ মণ্ডল, ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডা. জাহিদ হোসেন রিন্টু, প্রসূতি আফরোজা বেগমের স্বামী জাহিদ খান, শাশুড়ি রানু বেগম ও দেবর শামীম খানকে আসামি করে কোটালীপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় শুক্রবার ডা. প্রভাষ মণ্ডলসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
প্রসূতি আফরোজা বেগমের মা মনিকা বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে আমার মেয়েকে এই ক্লিনিকে ভর্তি করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুরে চিকিৎসকরা অপারেশন রুমে নিয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তারা জানায়, আমার মেয়ে আফরোজা ও তার গর্ভের সন্তান মারা গেছে। আমার মেয়ে মারা যায়নি। তাকে ও তার সন্তানকে চিকিৎসকরা মেরে ফেলেছে।
ইউনাইটেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডাক্তার জাহিদ হোসেন রিন্টু বলেন, সকালে আমাদের এখানে এসে এই রোগীটি ভর্তি হয়। এরপর আমরা তাকে স্যালাইন দেই। দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার প্রভাষ মন্ডল ও আমি রোগীটিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাই। এরপর রোগী হার্টএটাক করে মারা যায়।
ডাক্তার প্রভাষ মন্ডল বলেন, অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে আমরা রোগীর চিকিৎসা শুরু করার আগেই মৃত্যু হয়েছে। সঠিক তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোটালীপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, গ্রেফতার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।




































