চীনের ব্যতিক্রমী প্রযুক্তি, ”ইলেকট্রিক শর্ট” দিয়ে মাছ ধরার সময় ৮জন আটক
১২ মার্চ ২০২৪, ০৩:৪১ পিএম
চীনের ব্যতিক্রমী প্রযুক্তি, ”ইলেকট্রিক শর্ট” দিয়ে খাল-বিলের ছোট-বড় মাছ ধরার সময় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া এলাকা থেকে ৮জন মাছ শিকারীকে ধরে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক।
রোববার রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মোঃ মোহসিন উদ্দিন এ কারাদন্ড দেন।
দন্ড প্রাপ্তরা হলোঃ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নজড়া গ্রামের আহাদ আলী খানের ছেলে লিংকন খান (৩২), হান্নু মোল্লার ছেলে হাবিল মোল্লা (২৭), সিদ্দিক মোল্রার ছেলে রবিউল মোল্লা (২৮), শ্মশান বিশ্বাসের ছেলে সুভাস বিশ্বাস (৩২) ,রাউত খামার গ্রামের বিমল ভৌমিকের ছেলে চন্দন ভৌমিক (৩৩) ,মানিকহার গ্রামের শান্তি হাজরার ছেলে তারক হাজরা (৫০) ,কাশিয়ানী উপজেলার বিদ্বেধর গ্রামের জামাল জমাদ্দারের ছেলে নূর জমাদ্দার (৩৫) এবং অপর ভাই রানা জমাদ্দার(২৮)।
দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭জনকে ১৫ দিন করে ও এক জনকে ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
সোমবার রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মোঃ মোহসিন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, একদল মাছ শিকারী চীনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেশ কিছুদিন ধরে জেলার বিভিন্ন খাল-বিল ও বাওড়ে বিদ্যুতের শর্ট দিয়ে ব্যতিক্রমী কায়দায় মাছ শিকার শিকার করে আসছিল। এতে করে এলাকার ছোট-বড় মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছিল। রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় ওই চক্রটি সদর উপজেলার নিজড়া এলাকার একটি খালে ইলেকট্রিক শর্ট দিয়ে মাছ শিকার করছেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে ৮জন মৎস্য শিকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত শর্ট লাইটের নানা সরঞ্জাম ও চায়না জাল।
পরে, ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে প্রত্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়ে সোমবার তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মোঃ মোহসিন উদ্দিন আরো বলেন, এক শ্রেনীর মৎস্য শিকারীরা চীনের বিশেষ প্রযুক্তি ”ইলেকট্রিক শর্ট” দিয়ে জেলার নানান খাল- বিল ও বাওড়ের পানি বিদ্যুতায়িত করে। এতে নির্দিষ্ট একটা সময় ওই খাল-বিল ও বাওড়ের ছোট-বড় মাছ অচেতন হয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। তখন মাছ শিকারীরা ওইসব মাছ ধরে মোটা অংকের টাকায় বাজারে বিক্রি করে। এ ভাবেই এলাকার নদী ও খাল বিলের মাছ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।




































