মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় মাদ্রাসা সুপারসহ ৫ জন গ্রেপ্তার
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:৩৯ পিএম
ছবি- সংগৃহীত।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের একটি মাদ্রাসার নাবালিকা এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে থানায় দায়েরকৃত মামলার ৬জন আসামির মধ্যে মাদ্রাসা সুপার ইসমাইল হোসাইনসহ ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, মাদ্রাসা সুপার ইসমাইল হোসেন, শিক্ষক মাসুম বিল্লা, আলামিন হোসেন, আসাদুজ্জামান, ও আমেনা বেগম। মামলার অপর আসামি মিজানুর রহমান পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এরমধ্যে মাদ্রাসা সুপার ইসমাইল হোসেনের বাড়ী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের ইয়ার আলি সিকদারের ছেলে।
শনিবার সকালে মুকসুদপুর থানার ওসি আশরাফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, গত বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক রাত ৮টার দিকে মুকসুদপুর বাঁশবাড়িয়া পরিজান বেগম মহিলা কওমি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাবা রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ইসমাইল হোসাইনসহ ৬ জনকে আসামি করে মুকসুদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামি মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষক ইসমাইল হোসাইনসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। পলাতক থাকায় এ মামলার আরেকজন আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা সুপারসহ ৫ জনকে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মুকসুদপুর আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মেয়েটির বাবা বলেন, তার মেয়ে মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। বুধবার সন্ধ্যার পর মেয়ে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে আসার পর তাকে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ মনে হচ্ছিল। মেয়েকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্স শারীরিক অবস্থা দেখে মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। পরে নার্স ডেকে তাকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা হলে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।



































