'ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল' অব্যবস্থাপনা ও জনবল সংকটে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে
০৭ অক্টোবর ২০২৩, ১০:৪৩ পিএম
ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।
ফরিদপুরের শতবছরের ঐতিহ্যবাহী জেনারেল হাসপাতালটি(সদর) শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। প্রতিদিন গড়ে ২০০/৩০০ শত রোগী চিকিৎসা সেবা নেবার জন্য এই হাসপাতালে আসেন । কিন্তু চিকিৎসক, অব্যবস্থাপনা ও জনবল সংকটে ঐতিহ্যবাহী ও সুনামধণ্য জেনারেল হাসপাতালটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সেবা নিতে আসা হাজারো রোগী ও স্বজনদের । দীর্ঘদিনের এ সমস্যার সমাধান চায় ফরিদপুরবাসী।
সরেজমিনে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় , হাসপাতালের অভ্যন্তরে ২নং যক্ষা চিকিৎসাসেবা কক্ষ ও ৩নং জলাতঙ্ক চিকিৎসাসেবা কক্ষের সামনে বিভিন্ন ধরণের আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। কিন্তু এই দুইটি কক্ষে প্রতিদিন গড়ে শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। এই দুইটি রুমের সামনে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বিভিন্ন ধরণের পচা – আবর্জনা ফেলার কারণে দুর্গন্ধে লাইনে দাড়িয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কামরুল, আসমা বেগমসহ একাধিক রোগীরা জানান, হাসপাতালের পচা দুর্গন্ধের কারণে লাইনে দাড়িয়ে থাকা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
জলাতঙ্ক চিকিৎসা সেবায় দায়িত্বে নিয়োজিত ব্রাদার ( স্টাফ নার্স ) আনসার জানান, জেনারেল হাসপাতালে আয়া, সুইপার, নাইটগার্ড না থাকার কারণে রোগীরা উক্ত স্থানে আবর্জনা ফেলে রাখে । এতে সৃষ্ট দুর্গন্ধে আমাদের ও চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, আমাদের হাসপাতালে ডাক্তার সহ ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর জনবল সংকট। তার মধ্যে সুইপার ও আয়া অন্যতম। সিভিল সার্জন স্যারকে জনবল সংকটের কারণে অবগত করা হয়েছে।
ফরিদপুরের সচেতন মহলের দাবি, এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ নেবার মাথাব্যাথা নেই। এতোদিনে কেন সমস্যা সমাধান হয়নি এ ব্যাপারে দায়িত্বশীলদের ব্যর্থতা ছাড়া আমরা আর কোন কিছু দেখছি না। এভাবে চলতে থাকলে মানুষ আর সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসবে না। এতে নাগরিকদের ভোগান্তি বাড়বে এবং বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে ছুটে যাবে। এর দ্রুত সমাধান আমরা চাই।
এ ব্যাপারে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা মো সিদ্দিকুর রহমান জানান, আমাদের জনবল সংকটের বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠি দিয়ে ও মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। আশা করি অতিসত্বর সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।



































