পুনরাবৃত্ত হামের আক্রমণ: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গলদ কোথায়?


পুনরাবৃত্ত হামের আক্রমণ: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গলদ কোথায়?


পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত পাহাড় থেকে শুরু করে শিল্পাঞ্চল সীতাকুণ্ড, আর সবশেষে খোদ রাজধানী ঢাকা, গত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ‘হাম’ (Measles) রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য খাতের এক বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের পর, ২০২০ সালের মার্চ মাসে খাগড়াছড়িতে ৯ জন এবং রাঙ্গামাটির সাজেকে ৮ জন শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছিল। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, অতীতের সেইসব নির্মম অভিজ্ঞতা ও মহামারী থেকে শিক্ষা নিয়ে যে নিরেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা ছিল, তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। ফলে, এ বছর আবার তিন পার্বত্য জেলাসহ রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে নতুন করে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। উপরন্তু, বিবিসি বাংলার সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের হামের প্রাদুর্ভাব কেবল শিশুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং আশঙ্কাজনকভাবে বয়স্কদেরও আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, যার মধ্যে প্রায় আট হাজার জন হামে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়। ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্য অনুসারে (মে ১৯, ২০২৬), মার্চের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া হামের প্রাদুর্ভাবে ১৯ মে পর্যন্ত ৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যারা হামের সন্দেহভাজন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে বর্তি হয়েছিল। 

একটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য রোগ কেন বারবার এভাবে ফিরে আসছে এবং কেনই বা এবার বয়স্করা এর শিকার হচ্ছেন, তা নিয়ে গভীর আত্মোপলব্ধি এবং নীতিগত পর্যালোচনার সময় এসেছে।

সীতাকুণ্ড থেকে পাহাড়ি জনপদ ও রাজধানী
হামের এই পুনরাবৃত্তির ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এটি কোনো আকস্মিক বিপর্যয় নয়, বরং টিকাদান কর্মসূচির দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত দুর্বলতার এক ধারাবাহিক বহিঃপ্রকাশ।
• ২০১৭ সালের সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ত্রিপুরা পাড়ায় ২০১৭ সালে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ শিশুর আকস্মিক মৃত্যু পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই দুর্গম পাহাড়ি পাড়ার শিশুরা কোনো দিন কোনো টিকা পায়নি। স্বাস্থ্যসেবার আলো থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এক জনপদে রোগটি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, সীতাকুণ্ড ছিল তার প্রথম বড় সতর্কবার্তা।
• ২০২০ সালের খাগড়াছড়ি ও সাজেক ট্র্যাজেডি: সীতাকুণ্ডের ঘটনার মাত্র কয়েক বছর পর, ২০২০ সালের মার্চ মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে আবারও হামের মরণকামড় দেখা যায়। খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ি পল্লী ও রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দূরবর্তী গ্রামগুলোতে (যেমন- শিয়ালদাই পাড়া) হামের প্রাদুর্ভাব ঘটে। সেখানে পুষ্টিহীনতা আর পর্যাপ্ত টিকাদান সেবার অভাবে খাগড়াছড়িতে ৯ জন এবং সাজেকে ৮ জন শিশু মারা যায়। দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে সেখানে নিয়মিত টিকাদান কর্মী পৌঁছাতে না পারাই এর মূল কারণ হিসেবে তখন চিহ্নিত করা হয়।
• চলতি বছরের প্রাদুর্ভাব ও বয়স্কদের আক্রান্ত হওয়া: পূর্বের অভিজ্ঞতাগুলোকে পাশ কাটিয়ে এ বছর হামের প্রাদুর্ভাব কেবল পাহাড়ি সড়কেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; তা গ্রাস করেছে খোদ রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য জেলাকে। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী এবারের প্রাদুর্ভাবের সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এবার শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক বা বয়স্ক ব্যক্তিরাও হামে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের মতে, অতীতে যারা টিকা নেননি বা প্রাকৃতিকভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রতিরোধ ক্ষমতা লাভ করেননি, তারা এখন এই অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হচ্ছেন। বয়স্কদের ক্ষেত্রে হামের জটিলতা অনেক সময় আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিচ্ছে।

কেন বারবার ফিরে আসছে হাম?
বাংলাদেশ সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) বৈশ্বিক প্রশংসা পেলেও, হামের এই বারবার ফিরে আসা এবং বয়স্কদের আক্রান্ত হওয়া প্রমাণ করে যে আমাদের সাফল্যের আড়ালে কিছু বড় ধরনের ফাঁকফোকর (Immunization Gaps) রয়ে গেছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বনামধন্য চিকিৎসকের মতে, “কোন অঞ্চলে বা পাড়ায় যখন ৮০% বা তার বেশি শিশু টিকা পেয়ে যায়, তখন সেখানে হার্ড ইমিউনিটি (Herd Immunity) বা সামষ্টিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। এর ফলে শুধু টিকাপ্রাপ্ত শিশুরা নয়, বাকি ২০% শিশুও পরোক্ষভাবে হাম থেকে সুরক্ষিত থাকে।”

১. দুর্গম এলাকার টিকাদান ঘাটতি ও ‘ড্রপআউট’
পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলা (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) এবং সীতাকুণ্ডের মতো দূর্গম পাহাড়বেষ্টিত লোকালয়গুলোতে স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র বা নিয়মিত যাতায়াত ব্যবস্থা নেই। এছাড়া, প্রথম ডোজ নেওয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ সময়মতো না নেওয়ার (Dropout) হারও দুর্গম এলাকায় অনেক বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্যমতে, খুলনার হাম আক্রান্ত রোগীদের ৯০ শতাংশই নির্ধারিত সময়ে টিকা নেয়নি। এরূপ ব্যক্তিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার যে দেয়াল তৈরি হওয়ার কথা ছিল, তা তৈরি হয় না।

২. ইমিউনিটি গ্যাপ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি
বছরের পর বছর ধরে টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থেকে যাওয়া একটি বড় জনগোষ্ঠী এখন বয়স্ক বা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠেছে। অতীতে তারা টিকা না পাওয়ায় তাদের শরীরে হামের বিরুদ্ধে কোনো অ্যান্টিবডি বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি হয়নি। ফলে বর্তমান প্রাদুর্ভাবের সময় ভাইরাসের তীব্রতার কারণে এই অরক্ষিত বয়স্ক জনগোষ্ঠী সহজেই আক্রান্ত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

৩. রাজধানীর ভাসমান ও বস্তিবাসী জনগোষ্ঠী
খোদ রাজধানীতে হাম ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ এখানকার বিশাল ভাসমান ও বস্তিবাসী জনসংখ্যা। প্রতিদিন হাজারো মানুষ কাজের সন্ধানে ঢাকায় আসছেন। এদের বড় অংশই নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন টিকাদানের দায়িত্ব পালন করলেও সমন্বয়হীনতা এবং জনবলের অভাবে বস্তির প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

৪. রোগ নজরদারি (Surveillance) ও প্রাথমিক সাড়াদানের দুর্বলতা
হাম অত্যন্ত সংক্রামক। একজন আক্রান্ত রোগী থেকে বাতাসে দ্রুত রোগটি ছড়ায়। কোনো এলাকায় একটি শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক আক্রান্ত হওয়া মানেই সেখানে মহামারী রূপ নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়া। আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রাথমিক লক্ষণ দেখেই আইসোলেশন (বিচ্ছিন্নকরণ) এবং রিং-ভ্যাকসিনেশন (আশেপাশের সবাইকে দ্রুত টিকা দেওয়া) প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রায়ই দেরি হয়ে যায়।

জনস্বাস্থ্যে ও অর্থনীতিতে এর প্রভাব
হাম কেবল একটি সাধারণ চর্মরোগ বা জ্বর নয়; এর জটিলতা অত্যন্ত মারাত্মক। হামের কারণে শিশুরা নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, অপুষ্টি, অন্ধত্ব এবং এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহে (Encephalitis) আক্রান্ত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তাঁদের মতে, বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি লিভার বা ফুসফুসের মারাত্মক সংক্রমণ তৈরি করতে পারে।
দারিদ্র্যপীড়িত পার্বত্য অঞ্চল বা ঢাকার বস্তিতে যখন একটি পরিবারের একাধিক সদস্য বা উপার্জক্ষম ব্যক্তি হামে আক্রান্ত হয়, তখন সেই পরিবারের ওপর বিশাল অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়। কর্মদিবস নষ্ট হওয়া এবং চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে অনেক পরিবার ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ে। ফলে এটি কেবল স্বাস্থ্যগত বিপর্যয় নয়, একটি নীরব সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটও বটে।

সংকট উত্তরণে করণীয়: একটি সমন্বিত রোডম্যাপ
হামের এই চক্রাকার প্রাদুর্ভাব বন্ধ করতে এবং বয়স্কদের সুরক্ষায় প্রথাগত টিকাদানের বাইরে গিয়ে বিশেষ এবং উদ্ভাবনী কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

ক) ‘হার্ড-টু-রিচ’ বা দুর্গম এলাকার জন্য বিশেষ কৌশল
পার্বত্য অঞ্চলের জন্য ভ্রাম্যমাণ টিকাদান দল (Mobile Vaccination Teams) গঠন করতে হবে। ২০২০ সালের খাগড়াছড়ি ও সাজেকের মতো ট্র্যাজেডি এড়াতে দুর্গম পাহাড়ে হেঁটে বা বিশেষ যানে করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পৌঁছানোর জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করা দরকার। স্থানীয় পাড়া-কার্বারী (গ্রামপ্রধান) এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বাড়ানো দরকার। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি বিভাগের কর্মতৎপরতা লক্ষ করা গেছে। সেটিকে জারি রাখা এবং জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

খ) বয়স্ক ও যুবকদের জন্য বিশেষ টিকাদান বা ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন
যেহেতু এবার বয়স্কদের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে এবং ১৮ মে তারিখে এক অন্তস্বত্তা নারীর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে। তাই পূর্বের টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া প্রাপ্তবয়স্কদের চিহ্নিত করে তাদের জন্য বিশেষ ‘ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন’ বা এমআর (Measles-Rubella) টিকার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কলকারখানার শ্রমিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার তরুণদের এই আওতাভুক্ত করা যেতে পারে।

গ) আরবান হেলথ বা নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার
ঢাকার মতো মেগাসিটিতে টিকাদান ব্যবস্থা শুধু নির্দিষ্ট কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। বস্তি, রেলস্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল এবং নির্মাণাধীন এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে। পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর স্বাস্থ্য বিভাগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

ঘ) পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও দ্রুত চিকিৎসা
হামের তীব্রতা ও মৃত্যুহার কমানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো ভিটামিন-এ। আক্রান্তদের দ্রুত ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওানো নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রাদুর্ভাব কবলিত এলাকায় অপুষ্টি দূরীকরণে জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা প্রয়োজন।

শিশুদের হাম, মাম্পস ও রুবেলা থেকে নিরাপদ রাখতে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর নির্দেশিত ‘এমএমআর’ (MMR) টিকা দেওয়া জরুরি; এটিই এই রোগগুলো প্রতিরোধের একমাত্র উপায়।  সীতাকুণ্ড, সাজেক, খাগড়াছড়ি কিংবা ঢাকার বস্তির মতো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় হলেও ভুক্তভোগী মানুষগুলো একই দেশের নাগরিক। সংবিধানে প্রত্যেকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা বাস্তবায়নে হামের মতো শতভাগ নিরাময়যোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাব একটি বড় দাগ। আমরা যখন উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, তখন টিকার অভাবে শিশুর মৃত্যু কিংবা বয়স্কদের মহামারীর ঝুঁকিতে পড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হাম নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের স্বাস্থ্য খাতের ফাঁকফোকরগুলো দ্রুত বন্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমই পারে বাংলাদেশকে চিরতরে হামমুক্ত করতে। আর কোনো মায়ের কোল যেন হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগে খালি না হয় এবং দেশের কোনো নাগরিক যেন স্বাস্থ্য সুরক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন- এটাই হোক আমাদের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার।

লেখকপিরিচিতিঃ
মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদক ২০২১ ভূষিত লেখক ও গবেষক। ইমেইল: mathura.tripura@gmail.com

 

Ads