ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার আয়োজনে ইবিতে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ


ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার আয়োজনে ইবিতে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ


"গাছ লাগিয়ে সবুজ গড়ি, ফল ফসলে স্বদেশ ভড়ি" স্লোগানকে সামনে রেখে ইবি ল্যাবরেটরি স্কুলে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় শিশু- কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর'এর তারারমেলা শাখা।

সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১ টার সময় ইবি ল্যাবরেটরি স্কুলে এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

এসময় তারারমেলা শাখার সহকারী পরিচালক খন্দকার আহনাফউজ্জামানের সঞ্চালনায়  প্রধান অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় ফুলকুঁড়ি আসরের সমাজসেবা ও সার্কুলেশন সম্পাদক মাহবুব সরকার, প্রধান মেহমান হিসেবে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা.কামরুজ্জামান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ফুলকুঁড়ি আসর কুষ্টিয়া শহর শাখার পরিচালক অগ্রপথিক মির্জা সিফাত উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইবি ল্যাবরেটরী স্কুলের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীরা।

ফুলকুড়ি আসরের কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক মাহফুজ সরকার বলেন,' আজকের এই মহৎ আয়োজনে যে সকল শিক্ষার্থীরা এখানে উপস্থিত আছে তারা সকলে অনন্ত একটি করে কাজ রোপন ও বিতরণ করবো। গাছ রোপনের পাশাপাশি আমরা যেন গাছের পরিচর্যা করতে পারি সে বিষয় লক্ষ্য রাখবো। আমরা জানি গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমরা সকলে পরিবেশ রক্ষার জন্য গাছ লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবো।'

দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান, 'পরিমিত বৃক্ষ না থাকাই পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে ধাবিত। ছোটবেলায় আমরা যেমন সবুজায়ন দেখেছি  এখন তা দেখা যায় না। এজন্য অনেক বন্য পশু ধ্বংস হয়ে গেছে ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। একটি দেশে শতকরা ২৫ ভাগ বন থাকা প্রয়োজন কিন্তু আমাদের দেশে বনের পরিমাণ খুবই কম। আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলে  বনের পরিমাণ বেড়ে আস্তে আস্তে ভারসাম্য আসবে। রাসুল (স) বলেছেন, 'মৃত্যুর সময় জানার পরেও যদি পারো তাহলে একটা বৃক্ষরোপণ করো'। আমাদের উচিত হাদিসটা অনুসরণ করে পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষা করা।'
উল্লেখ্য, "পৃথিবীকে গড়তে হলে, সবার আগে নিজকে গড়ো" এবং একতা, শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও সেবা এই পাঁচটি আদর্শকে সামনে রেখে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ, দক্ষতা অর্জন ও চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

 

Ads