খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন


খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন


খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার মিলনপুরে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে এবং খাগড়াছড়ি সদর আঞ্চলিক শাখা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদ ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়।

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমল বিকাশ ত্রিপুরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ২৯৮ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, সংগঠনের উপদেষ্টা ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা এবং সাবেক সভাপতি সুরেশ মোহন ত্রিপুরা।

বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয় প্রকাশ ত্রিপুরার সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শুভ্রদেব ত্রিপুরা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিঠুন রানী ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নবলেশ্বর ত্রিপুরা লায়ন এবং ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খঞ্জন জ্যোতি ত্রিপুরা।

এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমদা রঞ্জন ত্রিপুরা, সংগঠনের উপদেষ্টা নারায়ণ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্লসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমল বিকাশ ত্রিপুরা। সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শুভ্রদেব ত্রিপুরা সাইমন।

আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। পরে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করা হয়।

Ads