বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
১৮ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:৪৪ পিএম
সহিদুল ইসলাম সুমন।
আগামীকাল ১৯জানুয়ারী বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও রাজনীতির পটভূমিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক চিরস্থায়ী ও অবিস্মরণীয় নাম। তিনি ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। আমাদের জাতীর অহঙ্কার। জাতিগতভাবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতার ইতিহাসে বর্ণালী হরফে লেখা আছে তাঁর নাম। জিয়া রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান নন। তার জীবনের ৪০ বছর পর্যন্ত রাজনীতির সাথে তার কোন সম্পর্ক ছিল না।
১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীর এক বনেদি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতা রসায়নবিদ মনসুর রহমান ও মা জাহানারা খাতুন রানী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় জিয়াউর রহমানের ডাক নাম কমল। ১৯৫৩ সালে তিনি যোগ দেন তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জিয়াউর রহমান। দায়িত্ব পালন করেন মুক্তিযুদ্ধের একটি স্বতন্ত্র সেক্টরের। তার নামে গড়ে উঠে জেড ফোর্স। ৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২৫শে আগস্ট তিনি সেনাবাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন। ৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন জিয়াউর রহমান।৭৬ সালের ২৯শে নভেম্বর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। এরপর জিয়াউর রহমান ৭৭ সালের ২১শে এপ্রিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বিপথগামী একদল সেনা সদস্যের হাতে শাহাদৎবরণ করেন তিনি।অল্প জীবনে বিশাল তাঁর অর্জন। তাঁর অর্জন জাতিকে সিক্ত করেছে নতুন প্রাণ-বন্যায়। মাত্র ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে তাঁর জীবনের যে সকল গুণাবলীর গুণে জ্যোতির্ময় হতে পেরেছিলেন তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সেক্টর কমান্ডার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা, ইসলামী উম্মাহর ঐক্যপ্রচেষ্টার অগ্রদূত, তৃতীয় বিশ্বের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর এবং সফল রাষ্ট্রনায়ক। তার জাতীয়তাবাদী ও উন্নয়নের রাজনৈতিক আদর্শ ও কর্মকা- বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে উঠেছিল তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নের মডেল।
রাষ্ট্র রাজনীতির অঙ্গনে শহীদ জিয়ার পদচারণার আগের সময়টি ছিল সর্ব অর্থে অন্ধকার। যুদ্ধ বিধ্বস্ত, দুর্ভিক্ষ পর্যুদস্ত ও রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল এক বাংলাদেশের দায়িত্ব তিনি কাঁধে তুলে নিয়ে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার ভিত রচনা করেছিলেন। তার এই আধুনিক বাংলাদেশের মূল ভিত্তি ছিল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ।একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ যাবতীয় ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন তা অন্য কোন রাষ্ট্রনায়ক কল্পনাও করতে পারেননি। জাতীয় ঐক্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যে সব পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেন, রাষ্ট্রীয় গৌরব বৃদ্ধির জন্যে যেসব অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক নীতি তিনি প্রণয়ন করেন তা বাংলাদেশের জন্য এখনো সময়োপযোগী, বাস্তব এবং জরুরি। সদ্য স্বাধীন দেশে বিরাজমান নানাবিধ সঙ্কট ও ভয়াবহ রাজনৈতিক শূন্যতা নিরসন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী টেকসই রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি জারি করা একদলীয় বাকশালী শাসন ব্যবস্থার সাংবিধানিক ফরমান বাতিল করে সভ্য ও গণতান্ত্রিক শাসনধারার বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন তিনি। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন। বিচার বিভাগকে প্রতিষ্ঠিত করেন স্ব-মর্যাদায়। উৎপাদন ও উন্নয়নের চাকা সচল হয় তাঁর হাতের যাদুকরী স্পর্শে। অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা ফিরে আসে। বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি- এই অপবাদ ঘুচিয়ে দেন জিয়া।শহীদ রাষ্ট্রপতি বীরউত্তম জিয়াউর রহমান তাঁর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ আদর্শের ভিতর দিয়ে একটি একীভূত শোষণমুক্ত প্রগতিশীল সমাজব্যবস্থা বাংলাদেশে দেখতে চেয়েছিলেন। আর এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে উদ্বুদ্ধ করে তিনি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে।
বাংলাদেশে প্রথম সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদেরকে বাঙালী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ১৯৭২ এর প্রথম সংবিধানে ৬নং ধারায় বলা হয়েছিল ,বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাঙালী বলিয়া পরিচিত হইবেন।৯ নং ধারায় বলা হয় ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।৭২ সংবিধানের পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি জনগোষ্ঠীর মাধ্যে এই নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং তারা বাংগালী হতে রাজি হননি। পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে জন্ম নিয়েছে জুম্ম জাতীয়তাবাদ। ফলে বিরোধ তৈরি হয়ে একসময় গেছে তা সশস্ত্র ধারায়। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পুরো জাতি যখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে ব্যস্ত তখন প্রতিবেশী দেশ ভারতের ইন্ধনে ১৯৭৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। জনসংহতি সমিতির সহযোগী সংগঠন ছিল এর সামরিক শাখা শান্তি বাহিনী। এমএন লারমা শান্তি বাহিনী নামে এই সশস্ত্র শাখা গঠন করেন ১৯৭৩ সালে।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হলে মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ভারতে আত্মগোপনে চলে যান এবং ১৯৭৬ সাল থেকে শান্তি বাহিনী পার্বত্য অঞ্চলে সামরিক অপতৎপরতা শুরু করে।
১৯৭৫ এর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মধ্য দিয়ে এই ধারার সংশোধন করেছিলেন, এবং ৬নং ধারায় (২) উপধারায় বলা হয়,বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন। এ সংশোধনের মধ্য দিয়ে বহু অবাঙালী ও উপজাতি বাংলাদেশেরই মানুষ বলে স্বীকৃতি পায়।সে সাথে সারা বাংলাদেশের মানুষ জাতি-উপজাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একক রাষ্ট্রীয় পরিচয় লাভ করে। এই ক্ষেত্র শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাষ্ট্রীয় জাতির কথা বলে ছিলেন।এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট রাষ্ট্র বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন- "বাংলাদেশে বহুসংখ্যক বিভিন্ন মতের ও ধর্মের জাতিগোষ্ঠী বাস করে। তাদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার মাত্রা ও ধরণ বিভিন্ন। তাই জিয়া মনে করেন যে, শুধুমাত্র ভাষা বা সংস্কৃতির ভিত্তিতে নয়, বরং ভূখণ্ডের ভিত্তিতেই জাতীয়তাবাদকে গ্রহণ করা উচিত।"
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রশাসনিক উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণ করে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন,শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বহুবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন।
বাংলাদেশ মানচিত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম যত দিন সংযুক্ত থাকবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল সম্প্রদায়ের একক জাতি গত ও সাংবিধানিক পরিচয় দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজকে যারা পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ও এদেশের দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তারা হয়তো অনেক আগে ই সফল হতো, যদি শহীদ জিয়া সেসময় এই দুরদর্শি পদক্ষেপ না নিতেন।
এছাড়াও একটি প্রগতিশীল সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে গেলে যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধি অপরিহার্য তা তিনি অনুধাবন করেছিলেন সঠিক সময়ে এবং আমাদেরকে উপহার দিয়েছিলেন যুগান্তকারী ১৯ দফা, যা কি না আজও যে কোন উন্নয়নশীল দেশের জন্য হতে পারে উন্নয়ন প্রচেষ্টার পলিসি গাইড লাইন। আজ বিশ্ববাসী যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কথা বলে থাকেন তার বৃহৎ অংশই রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের ১৯ দফার প্রতিফলন মাত্র। কৃষিকে গতিশীলতা ও উৎপাদনশীলতায় জাগিয়ে তুলেছেন। কৃষি বিপ্লবের কর্মসূচির আওতায় তাঁর আমলে দেড় বছরে ১২০০ খাল কাটা হয়েছিলো। খাদ্য উৎপাদন বেড়েছিলো রেকর্ড পরিমাণ। গণশিক্ষা বিপ্লব কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ কোটি বই ছাপা হয়েছিলো। দেড় বছরে ৪০ লাখ বয়স্ক মানুষ সাক্ষর হয়েছিলো। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বাণীতে উদ্বুদ্ধ হয় লাখ লাখ নর-নারী। তাঁর শাসনামলে দেশের আইন-কানুন পরিস্থিতিও ছিলো যথেষ্ট উন্নত। তিনি গ্রাম সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রশাসনকে জনগণের দোরগড়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন। দ্রুততম সময়ে সারা দেশে তিনি একটি কর্ম ও সুশাসনের সংস্কৃতি গড়ে তোলেন। এমনভাবে তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে চলে গিয়েছিলেন যে, তাঁকে বলা হতো সাধারণ মানুষের নেতা। যে কারণে একদিন তিনি বলেন, I’ll make politics difficult for the politicians. কারণ তখন রাজনীতি ছিলো চার দেয়ালে বন্দী। জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণবিহীন রাজনীতিকে তিনি জনগনের রাজনীতিতে রূপান্তরিত করেন। সকল সম্প্রদায় এবং রাজনৈতিক চেতনার মাঝে এক অভূতপূর্ব সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরি করে তিনি একদা বলেছিলেন ‘এক দেশ নানা মত, দেশ বাঁচাতে ঐক্যমত’।
জিয়া শিল্প খাতকে উদ্যমশীল করে একে বহুধা বিকশিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। কলে কারখানায় উৎপাদন চলে অবিশ্রান্ত গতিতে। গার্মেন্টস নামে সম্পূর্ণ নতুন খাতের সংযোজন ঘটিয়েছেন। ফলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিলো। দেশের কৃষি ও পল্লী খতের বিপুল অলস-অদক্ষ জনশ্রেণীর জন্য বিদেশের শ্রমের বাজারের সন্ধান দিয়েছেন। সমুদ্র উপকূলের জমিতে লোনা পানির চিংড়ি চাষ ইস্টওয়েস্টের ইন্টারকানেকশন- সবকিছুতেই শহীদ জিয়া পথ দেখিয়েছেন একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শুধু নয়, একজন অগ্রণী দেশপ্রেমিক হিসেবেও।
আজকের তরুণ প্রজন্ম তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দানের দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে অনুকরণীয় অনুপ্রেরণা হিসাবে শহীদ জিয়ার জীবনালেখা ও কর্মপন্থা বিশেষভাবে অনুসরণ করতে পারে। জীবনের ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে মাত্র পাঁচ বছর (১৯৭৭-১৯৮১) প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নের যে স্রোতধারা ও জাতীয়তাবাদী আদর্শ রোপণ করে গেছেন এবং উন্নয়নের যে উদাহরণ রেখে গেছেন তা যুগ যুগ ধরে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৮ তম জন্মবার্ষিকী, জন্ম বার্ষিকীতে এই ক্ষণজন্মা মহান পুরুষকে জানাই বিন্ম্র শ্রদ্ধা।
লেখক : অর্থনৈতিক বিশ্লেষক,লেখক ও গবেষক।
বি:দ্র: উক্ত কলামের সম্পূর্ণ মতামত লেখকের, তথ্য উপাত্ত দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ তাঁর।
































