ইবিতে চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায়


ইবিতে চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায়

চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে আগত ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠন চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে । এসময় নবীনদের ফুল ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং প্রবীণদের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

আজ শনিবার (০৩ মে) বেলা ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির ১১৬ নং কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি মেহেদী হাসান রিদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.রবিউল হক,বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাঃ মিজানুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক মো.রেজাউল করিম।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এক  নবীন শিক্ষার্থী বলেন,আজকে  চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণ  কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার পর প্রথম দিন ক্লাস করতে এসে ভিতরে এক ধরণের ভয় ও উত্তেজনা কাজ করতেছিল।চিন্তা করছিলাম আমি এখানে মানিয়ে নিতে পারবো তো? কিন্তুু   সিনিয়র ভাই ও বোনেদের আন্তরিক ব্যবহার ও  চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণ সমিতিতে যুক্ত হওয়ায় সেই ভয় ও সংকোচ দূর হয়ে গেছে।

অধ্যাপক ড.  মোহা. মিজানুর রহমান বলেন,আমাদের জানতে হবে যে জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি কেন গঠন করা হয়?  আমরা যারা চুয়াডাঙ্গা থেকে এসেছি আমদের সকলের এক থাকা উচিৎ। আমরা যেন নিজেরদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারি, যাতে একে অপরের সহযোগিতা করতে পারি। ক্যাম্পাসের ভিতরে যে লেখা পড়ার পরিবেশ সমুন্নত রাখার জন্য আমরা যদি কানেক্টেড থাকি একটা বিভাগের ছোট ভাই বড় ভাই, তাদের মধ্যে যদি যোগাযোগ থাকে যে আমারা একই জেলার মানুষ। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এজন্য তেমন কিছু মনে হয় না। যদি আমরা বিদেশে থাকতাম তাহলে আমরা এলাকার প্রয়োজনীয়তা  বুঝতে পারতাম । বিদেশে বাংলাদেশের মানুষের সাথে দেখা হলে মনে হয় নিজের ভাইয়ের সাথে দেখা হলো। আমাদের জেলা কাছাকাছি হলেও আমাদের একত্র থাকতে হবে।

শিক্ষকদের কাজ হল সহযোগিতা করা অতএব তোমরা যারা চুয়াডাঙ্গা থেকে এসছো তারা কোনো না কোনো ভাবে আমাদের আত্মীয়। পরবর্তীতে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ে জেলার সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ থাকে এবং অনুষ্ঠান আরো বড় হয় সেই বিষয়ে দায়িত্বশীলদের মনোযোগ আকর্ষণ করছি।


সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান রিদয় বলেন "আজকের এই আয়োজন শুধুমাত্র নবীনদের বরণ এবং প্রবীণদের বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নয় বরং এটি আমাদের এক অনন্য মিলনমেলা, যেখানে নতুনদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি প্রবীণদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রকাশ করা হয়। এই মিলনমেলার মাধ্যমে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও গভীর ও দৃঢ় হবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই সম্পর্ক শুধু আজকের আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হবে। আমাদের এই বন্ধন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হবে, যা আমাদের একতা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করবে। নবীনরা তাদের স্বপ্ন ও লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে যাবে, প্রবীণরা নতুনদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন-এই প্রত্যাশা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।”

উল্লেখ্য এ সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
 

Ads