গাজীপুরের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ১৩
২০ মার্চ ২০২৪, ০২:৩০ পিএম
ছবি- সংগৃহীত।
গাজীপুরের গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনায় ইয়াসিন আরাফাত (২১) ও মসিউর আলী (২২) নামের আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর শরীরের ৬২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
বার্ন ইনিস্টিউটের সহযোগী অধ্যাপক হোসাইন ইমাম এ তথ্য দিয়েছেন।
গতকাল বার্ন ইনস্টিটিউটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখনো এ হাসপাতালে ভর্তি দগ্ধ ১৬ জনের পরিবার ছয় দিন ধরে অপেক্ষায় আছেন। ১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তারাও আতঙ্কে আছে। ঘটনার দিন থেকে তারা ইনস্টিটিউটের আইসিইউয়ের সামনে বসে থাকে।
তাদের কারো সন্তান, কারো স্বামী আবার কারো স্বজন রয়েছে সেখানে। অপেক্ষমাণ স্বজনদের কেউ কেউ বলেন, কখন কী হয় বুঝতে পারছি না।
গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে লাগা সেই আগুনের ঘটনায় দগ্ধ ১৭ জন এখনো শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শঙ্কর পাল। তিনি বলেন, গ্যাসের আগুনে দগ্ধদের মধ্যে ১৩ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। ভর্তি থাকা ১৫ জনের কেউ-ই সংকটমুক্ত নয়। তাঁদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চলছে।
গত ১৩ মার্চ ইফতারের আগে কোনাবাড়ী এলাকার টিনশেড কলোনিতে আগুন লাগে। এতে নারী-শিশুসহ কমবেশি ৩৬ জন দগ্ধ হন তাঁদের মধ্যে ৩২ জনকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এরপর একে একে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। কেউ ছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিক, কেউ ভাঙ্গারি সংগ্রহ ও বিক্রির কাজ করতেন, কেউ ছিলেন রাজমিস্ত্রি বা শ্রমিক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন তাঁদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ রাখছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।





























