ঢাকা ১৮ আসনের পরিবর্তনের রুপকার হতে চান দয়াল কুমার বড়ুয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:১৮ পিএম


ঢাকা ১৮ আসনের পরিবর্তনের রুপকার হতে চান দয়াল কুমার বড়ুয়া

দয়াল কুমার বড়ুয়া।

 

বুধবার সকালে উত্তরা নিজ কার্যালয়ে  সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়কালে দয়াল কুমার বড়ুয়া বলেন  ঢাকা ১৮ আসনের পরিবর্তনের রুপকার হতে চান ।

 

আমি যদি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হই সর্ব প্রথম যে কাজটি করবো তাহলো আমি মনে করি এখানে স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাথে তাদের জনপ্রতিনিধির একটি যোগাযোগের দূরত্ব রয়েছে। সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের যে সমস্যাগুলো সহজেই সমাধানযোগ্য নিয়মিত মতবিনিময় না থাকায় মানুষ তার সে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রত্যেক মাসে ২টি বা কমপক্ষে ১টি 'জনতার মুখোমুখি' বা 'গণমানুষের জন্য শীর্ষক ওয়ার্ড ভিত্তিক সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সমাধানে এলাকাবাসীর অভিমত গ্রহণ করে পদক্ষেপ নেওয়াই মূল লক্ষ্য।


তিনি তার বক্তব্যে বলেন উত্তরা একটি মডেল সিটি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেই মডেলের “ম” আমরা চোখে দেখছি না । উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে সময় লাগে দুই ঘন্টা। উত্তরা মেইন রোড থেকে উত্তরখান এবং দক্ষিণখান  যেতেও সময় লাগে ২থেকে ৩ঘন্টা।


উত্তরখান এবং দক্ষিণখান চলাচলের রাস্তায় খানাখন্দে যে ভয়ানক পরিস্থিতি তার জন্য ফ্লাইওভারের ব্যবস্থা করব। প্রায় সময় দেখাযায় তিন কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে তিন ঘন্টাও লেগে যায়। যদি ফ্লাইওভার তৈরি হয় যাতায়াতের সময় লাগবে মাত্র ৮থেকে ১০ মিনিট। উত্তরখান, দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, তুরাগসহ যেসকল এলাকা অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এসকল এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে  সুগভীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করা।
 

যানজট লেগে থাকা অপ্রশস্ত সড়কগুলো প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে প্রশস্তকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করব।

 

উন্নয়নকাজে যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে জনভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সাথে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদারকির ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি ফান্ড ছাড়াও দেশ এবং বিদেশের বহু সংস্থা আছে যেখান থেকে ফান্ড নিয়ে দেশের উন্নয়নমূলক কাজ করা যায় সেই ফান্ড নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করব।

 

অনেকেই ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজ বাস্তবায়ন করেন না। আমি প্রতিশ্রুতি নয় আমি কাজ বাস্তবায়ন করতে চাই। আমার কোন কর্মী নাই তাই আমি কর্মী দিয়ে কাজ করতে চাই না আমি আমার ভাইদেরকে সাথে নিয়ে এবং এই আসনের বিবেকবানদের সাথে নিয়ে কাজ বাস্তবায়ন করতে চাই।


সব শেষে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি সাংবাদিক পরিবারের একজন সদস্য। আমি উত্তরা সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞত। আমাকে কেউ ঢাকা ১৮ আসনে চিনতোনা সাংবাদিকরাই আমাকে পরিচিতি লাভ করিয়েছে। আমাকে ঢাকা ১৮ আসন সহ সারা বাংলাদেশে পরিচয় লাভ করিয়েছে। আমি জনপ্রতিনিধি হলে আপনারা আমাকে আপনাদের একটা ভাই হিসেবে পাবেন। আপনাদের কাছে নেতা হয়ে নয় আপনাদের কাছে ভাই হয়ে থাকতে চাই। আপনারা আমাকে একজন আপনাদের ফ্যামিলি মেম্বার হিসেবে পাবেন কেননা যারা ফ্যামিলি মেম্বার হয় তাদেরকে দিনে-রাতে যে কোন সময় ডাকা যায় পাশে পাওয়া যায়।

 

আপনারা যদি আমাকে নেতা হিসেবে নেন তাহলে নেতা ও কর্মীর মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে আপনাদের কাছে নেতা হিসেবে নয় আপনাদের ফ্যামিলির একজন সদস্য হয়ে সারা জীবন সারা থাকতে চাই ।

Ads