বর্ষায় নতুন রুপ ধারণ করেছে

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৩:৩৩ পিএম


বর্ষায় নতুন রুপ ধারণ করেছে

ছবি-সংগৃহীত

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার যদি ঝর্ণা দেখতে হয় তাহলে অবশ্যই এই ঝর্ণার কথা সর্বপ্রথমে অাসবে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার এর মধ্যে এর অবস্থান।

সোসং মারমা ভাষা। এর অর্থ নীরব বা নীরব নির্মল ভাবে শান্ত প্রকৃতির। অনেকের মতে কলকলিয়ে নীরবভাবে কলকল শব্দ নিয়ে বয়ে যায় এই ঝর্ণা তাই এর নাম সোসং ঝর্ণা।

দিনের মধ্যে দিনে এসে দেখে অাসা যায়। স্থানীয়ভাবে যে কাউকে নিয়ে ঘুরে যেতে পারবেন। যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে জারুলিয়াছড়ি রাস্তা দিয়ে। সম্পূর্ণ হেঁটেঁ হেঁটে । চাইলে যে কোন রাস্তার পাশে বসে বিশ্রাম নিতে পারবেন। হাঁটার সময় মাত্র ২০ - ২৫ মিনিট।

যারা এই ঝর্ণা দেখতে এসেছে তাদের মধ্যে প্রশংসায় না করেই  থাকতে পারে না। রাস্তার ধারে সারি সারি সবুজ প্রকৃতি অাপনাকে খুব মুগ্ধ করবে। তাছাড়া যখন এর কাছাকাছি চলে অাসবে তখন মনে হবে অাপনি কোন এসি রুমে বসে অাছেন। চারদিকে পাখির শব্দ,বয়ে যাওয়া পানির স্রোত অাপনাকে অবাক করে দেবে। অার একটা কথা সূর্যের অালো খুব কম প্রবেশ করে বিধায় এই ঝর্ণায় অাশেপাশে খুব ঠান্ডা অনুভব করা যায়।

স্থাণীয়দের মতে প্রায়ই বেশীরভাগ পর্যটক এখানে বেড়াতে অাসে। যদি এই জায়গায় অবকাঠামো নির্মাণ করা যায় তাহলে স্থাণীয়দের জীবনযাত্রা অনেক পাল্টে যাবে।

রামু থেকে ঘুরতে অাসা জাতীয় দলের সাবেক  ফুটবলার মঙ্গল কুমার বড়ুয়া বলেন,সোসং অপরুপ খুব মুগ্ধ করে। চারদিকে নীরব পরিবেশ অার সবুজ প্রকৃতি যে কোন মানুষকে খুব কাছে টানবে। অার ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের জন্য এটি হবে সবচেয়ে  অানন্দদায়ক জায়গা। পাহাড়ি এলাকার এই রকম ঝর্ণা মানুষের খোরাক অার মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে।

সোনাইছড়ি এলাকার চেয়ারম্যান বাহাইন মারমা জানান,সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা অার অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে এটি পর্যটনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হতে পারে।

Ads