ঘিওরে বানিয়াজুরি ইউনিয়ন সরকারি স্কুলের ৭৫ বছর পূর্তি

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

২৫ জানুয়ারি ২০২০, ০৫:০৮ পিএম


ঘিওরে বানিয়াজুরি ইউনিয়ন সরকারি স্কুলের ৭৫ বছর পূর্তি

ঘিওরে বানিয়াজুরী ইউনিয়ন সরকারি স্কুল ও কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী

আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে মানিকগঞ্জ ঘিওরে বানিয়াজুরী ইউনিয়ন সরকারি স্কুল ও কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী  অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ২১০০ প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হতে থাকে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। বহুদিন পর বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতেই আবেগঘন আলিঙ্গন কোথায় ছিলি এত দিন? কত দিন পর দেখা। এমন নানা প্রশ্নে-আড্ডায় মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুলমাঠ। দিনভর আনন্দ আয়োজনের শুরু হয়েছিল শোভাযাত্রার মাধ্যমে। ‘শেকড়ের টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে’ আহ্বানে স্কুলচত্বর থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা।

জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি নীনা রহমান শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন। এরপর শোভাযাত্রা ও আনন্দ র‌্যালী আশপাশের এলাকা ঘুরে বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। পুনর্মিলনে হাজির হয়েছিলেন বিদ্যালয়ের ৭৫ বছরের সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। কখনো ব্যাচভিত্তিক, কখনো বড় ভাইদের  আড্ডায় স্মৃতি খুঁজে ফিরছিলেন শিক্ষার্থীরা। শোভাযাত্রার পরের পর্ব ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান। পূনর্মিলনী বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি আহমেদ ইব্রাহিম যিশুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট র্বোডের পরিচালক ও মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ গোলাম মহিউদ্দিন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তায়েবুর রহমান টিপু, ঘিওর থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ আশরাফুল আলম, জেলা শ্রমীকলীগের সভাপতি বাবুল সরকার, জেলা যুবলীগের আহব্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা, যুগ্নআহব্বায়ক মাহবুবুর রহমান জনি, জেলা পরিষদের সদস্য আবুল বাশার, সদস্য মনিরুল ইসলাম খান মনি, এ্যাশিউর গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ শেখ সাদী, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বাবুল বেপারী, সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী বুলবুল, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহাবুব আব্বাস আকাশ, পুনর্মিলনী বাস্তবায়ন কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহিদুজ্জামান শাহিদ প্রমূখ।

এ সময় পুনর্মিলন উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা স্মৃতিপট সবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। কথামালার পরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক আয়োজন। নৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। শেষ পর্বে গান পরিবেশন করেন বিশ্বের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হৃদয় খানসহ শিল্পীরা। প্রায় তিন ঘণ্টা শিল্পীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে চলতে থাকে শিক্ষার্থীদের আনন্দউল্লাস। আঞ্চলিক গানসহ জনপ্রিয় গানে সুর মেলান সবাই। তবুও নতুন-পুরোনো বন্ধুদের কোলাহলে যেন ফিরে এল বিদ্যালয়ের সোনালি দিনের স্মৃতি। এমন আয়োজন পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধনটা আরও শক্ত করেছে। এমনই মন্তব্য প্রতিটি ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের।

 

Ads