ইট ভাটার কাছেই মিললো বৃদ্ধের রক্তাক্ত লাশ
১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪০ পিএম
সত্তরোর্ধ বৃদ্ধ শহিদ মিয়া। দীর্ঘদিন ইটের ভাটায় কাজ করলেও বর্তমানে করেন না। ভাটার সর্দার ফোন করে ডেকে নেয়ার পরই হন নিখোঁজ। কয়েক ঘণ্টা পর একটি ইট ভাটার পাশের গর্তে মিললো ওই বৃদ্ধের রক্তাক্ত মরদেহ।
গতকাল রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ। এর অাগে শনিবার রাতে বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকার 'শশই ব্রিকস ফিল্ড'র পাশের গর্ত থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা লাশ উদ্ধার করে। নিহত মো. শহিদ মিয়া (৭৫) উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের শশই গ্রামের মৃত সিন্দু বালির পুত্র।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যেক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শশই গ্রামের নদীরপাড়ে শশই ব্রিক্স ফিল্ডের দক্ষিণ পাশের গর্তে শহিদ মিয়ার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শনিবার রাতে বিজয়নগর থানাধীন ইসলামপুর ফাঁড়ি পুলিশ নিহতের হাত ও মাথায় অাঘাতের চিহ্ন থাকাবস্থায় লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। নিহতের ছেলে সুমন মিয়া বলেন, 'আমার বাবা ৫-৬ বছর অাগে ইটের ভাটায় কাজ করত। এখন তিনি কাজ করেনা। শনিবার সকালে ইটভাটার সর্দার বিল্লাল মিয়া আমার বাবাকে ফোন করে ডেকে নেয়। দীর্ঘক্ষণও বাড়িতে না যাওয়ায় অনেক খুঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যায় লোকজন থেকে ইটের ভাটার পাশের গর্তে রক্তাক্ত অবস্থায় আমার বাবার লাশ পড়ে থাকতে দেখি।' ইটের ভাটার মালিক আবুল ফয়েজ মিয়া বলেন, "নদীর পাড়ে ইটের ভাটার পাশের গর্ত থেকে পরিবারের লোকজন লাশ উদ্ধার করেছে। সে আমার ভাটায় কাজ করেনা।'
ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) আ.স.ম. আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, 'উদ্ধারকৃত লাশের হাত ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'


































