রোয়াংছড়িতে বিশুদ্ধ পানি সংকট, উদ্যোগ নেননি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

৩০ নভেম্বর -০০০১, ১২:০০ এএম


রোয়াংছড়িতে বিশুদ্ধ পানি সংকট, উদ্যোগ নেননি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ

বান্দরবানে রোয়াংছড়িতে প্রশাসনিক এলাকার,বাজার ও রোয়াংছড়ি পাড়া সহ দেড় হাজার পরিবারের সূপীয় পানি সংকটে পড়েছে। উদ্যোগ নেননি উপজেলায় জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘ দিন যাবৎ খাওয়ার পানি সংকটে মুখে পড়েও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের কর্মকর্তা,কর্মচারীরা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গেছে প্রায় ১০ বছরে পূর্বে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে খাওয়ার ও ব্যবহার পানি জন্য জিএফএস লাইনের মাধ্যমে পাদালাক ঝিরি থেকে সরবরাহ করে দিয়ে ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে ফলে পানি সরবরাহকৃত পাইপ লাইনটি বিনষ্ট হওয়ায় এখন পানি সংকটে মধ্যে আছে রোয়াংছড়ির বাসিরা। শুধু তাই নয়,রোয়াংছড়ি পাড়া,রোয়াংছড়ি বাজার,উপজেলা সদরের প্রশাসনিক এলাকার সহ কোন জাগায় খাওয়ার উপযুক্ত পানি নাই বলে চলে। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রবল বর্ষণে পাদালাক ঝিরি থেকে পানি সরবরাহের পাইপ লাইনটি ভেঙ্গে গেছে। ওই পাইপ লাইন থেকে পানি আসতে না পাওয়ায় এক মাস যাবৎ পানি সমস্যা মধ্যে দেখা গেছে। বিশুদ্ধ পানি না পাওয়ায় খালে সব ধরনে কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে। ময়লা পানি ব্যবহারে ফলে ম্যালরিয়া,টায়ফয়েড,ডায়রিয়া সহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার বাসিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রোয়াংছড়িতে অনেক দিন হলো খাওয়ার পানি সংকটে ভোগান্তি চরমে। বিশুদ্ধ পানির সংকটে মুখে পড়েছে প্রায় দেড় হাজার মানুষ। জনস্বাস্থ্য বিভাগের স্টাফরা টাকা ছাড়া কিছু বুঝেন না। উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগে কোন স্টাফ পানি সরবরাহের জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে সরকারি চাকুরি নামে স্টাফরা সারা বছর অফিসের না এসে যার যার বাড়িতে থেকে কিন্তু মাসের শেষে বেতন উত্তোলন করে ভোগ করে আছে। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আথুইমং মারমা বলেন রোয়াংছড়ি পাড়া,বাজার,চাইঙ্গাডং পাড়া,রোয়াংছড়ি নতুন পাড়া সহ পানি সংকটে মুখে পড়েছে। আমি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের স্টাফকে বলেছি। কিন্তু পাইপ লাইন মেরামত করতে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানান। রোয়াংছড়ি সদর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকার হয়ে পর্যপ্ত পরিমাণে রিংওয়েল,টিউব ওয়েল ও ডিপওয়েল না থাকায় ১০ বছরের আগে পাদাক ঝিরি থেকে জিএফএস লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা পানিকে নিয়ে নির্ভর করে আছে। এখন কয়েক সাপ্তহ পূর্বে প্রবল বর্ষণে বন্যায় হওয়ায় ওই পাইপ লাইনগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এলাকার বাসিরা পানি সংকটে মধ্যে পড়েছে। কোন সংস্থা থেকে এখনো পর্যন্ত সার্বিক সহযোগিতা না পাওয়ায় নষ্ট হওয়ার মেরামত না করে পাইপ লাইনগুলো পড়ে আছে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: আশরাফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমাদের অধিদপ্তরে কোন টাকা নাই এবং এটা আমাদের দায়িত্ব মধ্যে নেই। এটা ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বের মধ্যে আছে। আপনারা রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যানে সাথে যোগাযোগ করে নিতে পারেন।

 

Ads