শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস
০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:৩০ পিএম
ছবি - সংগৃহীত
দেশের উত্তরাঞ্চলে বেশ ঠাণ্ডা পড়া শুরু হয়েছে এরইমধ্যে। রাজধানীর আবহাওয়া অফিসও জানান দিচ্ছে শীত আসছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শীত একেবারে জেঁকে ধরবে, এমনটাই বলছে আবহাওয়া অফিস। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ডিসেম্বরে অন্তত দু-তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে দেশের ওপর দিয়ে। চলতি মাসের শেষ ভাগে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে জোড়া মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) কিংবা মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
উত্তরের হিমেল বাতাসের প্রভাবে দু’দিন ধরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। যা দেশের মধ্যে এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রোববার। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত বছরের একইদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস সূত্র মতে, রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল দিনাজপুর ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস, নীলফামারীর ডিমলায় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১২ ডিগ্রী, সৈয়দপুরে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রী এবং রংপুরে ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
গেল কয়েকদিন ধরে মৌলভীবাজারেও শীত জেঁকে বসেছে। রেকর্ড করা হয়েছে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ জেলায় এখন তাপমাত্রা ১০-১৫ সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ১১.৫ থেকে ১৬ সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, চলতি মাসে মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হবে। দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে ২ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৫০ মি.মি.। গড় সূর্য কিরণকাল হবে ৬ দশমিক ৫০ থেকে ৭ দশমিক ৫০ ঘণ্টা। মাস জুড়ে শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদনদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়বে। অন্য অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।






























