দুই বছর পর আইয়ুব বাচ্চুর মিউজিক ভিডিও
১৬ নভেম্বর ২০১৬, ০৬:৪১ পিএম
সাধারণত নিজের করা সুরেই গান করেন আইয়ুব বাচ্চু। এমনকি নিজের গানগুলোর সংগীত পরিচালনাও করেন তিনি। প্রায় নয় বছর পর অন্যের সুরে গাইলেন নন্দিত এই ব্যান্ডশিল্পী। ‘ছায়া শরীরী’ শিরোনামের গানটি সুর করেছেন জিয়া খান, সংগীতায়োজন করেছেন চিরকুট ব্যান্ডের পাভেল আরীন। আর গানটি লিখেছেন এম এস রানা। গেল ঈদ উল ফিতরে গানটি প্রকাশ করে জি সিরিজ। এবার গানটির অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিও প্রকাশ পেলো গত ১১ নভেম্বর।
দুই বছরেরও বেশি সময পর নিজের কোনো গানের অিফিসিয়াল ভিডিও প্রকাশ করলেন আইয়ুব বাচ্চু। ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন মনজু আহমেদ। ভিডিওটির টেলিভিশন প্রিমিয়ার হয় একাত্তর টিভির ‘মিউজিক বাজ’ অনুষ্ঠানে। আলিফ আলাউদ্দিন ও ফারশিদের উপস্থাপনায় সরাসরি এই অনুষ্ঠানে ভিডিওটির ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। পরদিন ১২ নভেম্বর জি সিরিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘জি সিরিজ মিউজিক’- এ প্রকাশ করা হয় ভিডিওটি।
আইয়ুব বাচ্চুর সর্বশেষ মিউজিক ভিডিও ছিল ‘জীবনের গল্প’। ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৪ এর এপ্রিলে। আইয়ুব বাচ্চু বলেন, “গানের কথাগুলো আমাকে ভীষণ টেনেছে। গতানুগতিক গানের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন ধাঁচের কথা আর গল্প রয়েছে গানটিতে। ‘জীবনের গল্প’র পর আমি চেয়েছি একটু ভিন্ন ধাচের একটা ভিডিওতে কাজ করতে। আশা করছি ‘ছায়াশরীরী’ গানের ভিডিওটি ভক্তরা পছন্দ করবেন। সামনে আমার সলো কিছু মিউজিক ভিডিওর পাশাপাশি ব্যান্ড এলআরবির নতুন কিছু মিউজিক ভিডিও দেখতে পাবেন সবাই।”
গীতিকার এম এস রানা বলেন, ‘শুরুতে গানটি নিয়ে বেশ দ্বিধায় ছিলাম। কারণ গানটি একটু এক্সপেরিমেন্টাল। বাচ্চু ভাইয়ের [আইয়ুব বাচ্চু] মতো বড় মাপের শিল্পীর কল্যাণেই এ ধরনের কঠিন কথা আর ছন্দ-তালের গানটি সম্ভব হয়েছে। এবার শতভাগ পূর্ণ হলো মনজুর তৈরি মিউজিক ভিডিওর সুবাদে।”
জিয়া খান বলেন, “গত ঈদের ব্যয়বহুল একটি অ্যালবাম ‘ছায়াশরীরী’। অ্যালবামের টাইটেল গানটিই বাচ্চু ভাইয়ের গাওয়া। এরই মধ্যে গানটি শ্রোতাদের মাঝে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এবার মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে শ্রোতাদের চাওয়া শতভাগ পূর্ণ হলো। আশা করছি গানের মতো ভিডিওটির দর্শকের ভালো লাগবে।”
মনজু আহমেদ বলেন, ‘অনেক দিন পর আইয়ুব বাচ্চুর গান। তাই বেশ গুছিয়ে পরিকল্পনা সাজিয়ে একটু ভিন্ন আঙ্গিকের একটি ভিডিও তৈরির চেষ্টা করেছি। এরই মধ্যে অনেকেই প্রশংসা শুনিয়েছেন। আশা করছি অন্য দর্শকদেরও ভালো লাগবে।”



































