পর্নোস্টার থেকে দুনিয়া কাঁপানো অভিনেত্রীরা

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

২৮ এপ্রিল ২০১৬, ০৪:৪৪ পিএম


পর্নোস্টার থেকে দুনিয়া কাঁপানো অভিনেত্রীরা

বিনোদন ডেস্ক :: শুরুটা অন্ধকার জগত থেকে হলেও ধীরে ধীরে তারা এসেছেন শীর্ষস্থানে। বলছিলাম হলিউডের প্রথম সারির বেশ কিছু অভিনেত্রীর কথা। যাদের ক্যারিয়ার শুরু হয় একজন নীল ছবির অভিনেত্রী হিসেবে।

তবে সেখান থেকে পা বাড়ান মূল ধারার অভিনয়ে। আর বাজিমাত করেছেন বিশ্ব চলচ্চিতত্রের দর্শকদের। পর্নোস্টার থেকে হলিউডরে জনপ্রিয় অভিনেত্রীতে পরিণত হওয়া ১০জনকে নিয়ে এই আয়োজন-

মেরিলিন মনরো
বিশ্ব চলচ্চিত্রের খবর রাখেন অথচ মেরিলিন মনরোর নাম শুনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। রুপ লাবণ্যে তিনি ছিলেন অতুলনীয়া। তার মোহনীয় লজ্জামাখা হাসি আজো জীবন্ত হয়ে ধরা দেয় যুবকের অন্তরে। ১৯২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসে জন্মগ্রহণ করেন এ বিশ্ব তারকা। জন্মের পরপরই বাবা নিরুদ্দেশ হওয়ায় জীবনটা মোটেও সুখের ছিলো মনরোর। জীবীকার তাগিদে নাম লেখান নীল ছবিতে। পরবর্তীতে হলিউডের মূলধারার ছবি ‘দ্য সেভেন ইয়ার ইচ’, ‘সাম লাইক ইট হট’র মতো আরো অসংখ্যা জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করেন এ তারকা।

ক্যামেরুন ডায়াজ
হলিউডের বেশ নামকরা অভিনেত্রী। ১৯৭২ সালে জন্মগ্রহণ করা এই আমেরিকান অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শুরু হয় নীল ছবিতে পা রাখার মাধ্যমে। পরে অবশ্য নাম লেখান হলিউডে আর হয়ে ওঠেন শীর্ষস্থানীয় তারকাদের একজন। শোনা যায় ক্যামেরুনের প্রতি সম্মান জানিয়ে পরবর্তীতে তার সকল নীল ছবিগুলো মুছে দেয়া হয় বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে।

হেলেন মিরেন
হেলেন মিরেন যার পুরো নাম ডেমি হেলেন মিরেন। পশ্চিম লন্ডনের একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন এই ব্রিটিশ তারকা। হেলেনের জীবন প্রচুর ঘটনাবহুল। মডেলিং থেকে পা বাড়ান পর্নো জগতে। সেখান থেকে আবার ফিরে আসেন মূলধারার ছবিতে। কাজ করেন ‘ওম্যান ইন গোল্ড’, ‘ট্রাম্বো’ ও ‘দ্য হাণ্ড্রেড ফুট জার্নি’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় ছবিতে।

রাইলি স্টিলস
ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করা এ তারকা পর্নো জগতের বেশ বিখ্যাত নাম ছিলেন। শুধু পর্নো নয়, পেশাদার হিসেবে কাজ করেছেন বিভিন্ন গলফ ক্লাবের বারগুলোতেও। তবে শেষমেশ নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করলেন হলিউডে এসে। কাজ করেন থ্রিলার ছবি ‘পিরানহা থ্রিডি’ তে। এছাড়াও সেক্স প্যারোডিধর্মী ছবি ‘পাইরেটস’-এও অভিনয় করেন তিনি।

শাশা গ্রে
প্রথম সারির কয়েকজন পর্নোস্টারের নাম বললে শাশা থাকবেন সবার উপরের দিকে। নীল দুনিয়ার দর্শকদের কাছে এখনো শাশা গ্রের আবেদন ফুরোয়নি। দর্শকদের আবেদন না ফুরোলেও শাশা পর্নো জগতকে বিদায় জানিয়েছেন অনেকদিন হয়ে গেছে। তিনি এখন পুরোদস্তুর হলিউড তারকা। কাজ করেছেন ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড এক্সপেরিয়েন্স’, ‘আই মেল্ট উইথ ইউ’ সহ আরো অনেক জনপ্রিয় ছবিতে। শুধু ছবিতেই নয় শাশা কাজ করেছেন মিউজিক ভিডিওতেও। আরো চমকপ্রদ খবর হচ্ছে শাশা নিজেও যে গান গান সে খবর তার অনেক ভক্তেরই অজানা।

জেসে ক্যাপেলি
মাত্র ১২ বছর বয়সেই মডেলিং জগতে পা বাড়ান জেসে। ক্যারিয়ারের শুরু এখান থেকে। তবে ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করা এ তারকা ১৯ বছর বয়সেই নাম লেখান পর্নো তারকাদের তালিকায়। তবে শুধু মডেলিং এবং পর্নো তারকাই নন; জেসে ছিলেন একজন ভালো সাতারুও। হলিউডে পা রেখেও সফল হয়েছেন নীল ছবির এই তারকা। হলিউড ক্যারিয়ারে করেছেন ‘ভ্যান ওয়াইল্ডার’ ও ‘নট অ্যানাদার টিন মুভি’র মতো সাড়া জাগানো ছবিতে।

জেনা জেমিসন
পর্নো জগতের বেশ পরিচিত ছিলেন মুখ জেনা জেমিসন। যিনি কিনা পরবর্তীতে হয়েছিলেন হলিউডের মূল ধারার অভিনেত্রী। মাত্র ২০ বছর বয়সেই পর্নো তারকা হিসেবে আবির্ভূত হন একটি ম্যাগাজিনে। যেটি কিনা মূলত প্রকাশিত হতো পুরুষদের জন্য। জেনা জেমিসন অভিনীত একটি জনপ্রিয় ছবি ছিলো ‘জোম্বি স্ট্রিপার’।

অরোরা স্নো
হলিউডের জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘সুপারব্যাড’ থেকে অনুপ্রাণীত হয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়। এই ছবি দিয়ে হলিউডে পদার্পন করেন অরোরা স্নো। অন্য তারকাদের মতো এই তারকা অভিনেত্রীও ক্যারিয়ারের শুরুতে কাজ করেন নীল ছবিতে। ১৯৮১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহন করেন এই হলিউড তারকা।

মারিয়া ওজোয়া
হলিউড অভিনেত্রী হলেও ওজোয়ার জন্ম হয়েছিলো জাপানে। বাবা কানাডিয়ান আর মা জাপানিজ হওয়ায় জন্মের পর বেড়ে উঠেছিলেন জাপানেই। ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো মাত্র ১৯ বছর বয়সে নিজের পর্নো ভিডিও বাজারে আনেন এ তারকা। পরে অবশ্য হলিউডমুখী হন। ‘নিলালাং’ তার অভিনীত একমাত্র হলিউডি ছবি।

পেরি রিভস
পেরি রিভসের জন্ম নিউ ইয়র্কে। দাদা হ্যাজার্ড রিভস ছিলেন বেশ নামকরা সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার। মডেলিং দিয়েই পদার্পন করেন মিডিয়া জগতে। তারপর ধীরে ধীরে তিনিও জড়িয়ে পড়েন পর্নো জগতে। ‘ওল্ড স্কুল’ ছবিটিতে দুর্দান্ত অভিনয় করে জয় করে নেন সমালোচক এবং দর্শকদের মন।

Ads