খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:২৩ পিএম
ছবি-প্রতিদিনের চিত্র
খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১০ফেব্রুয়ারি ২০২০খ্রি.) সকালে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা-এনডিসি ‘‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান” শীর্ষক স্কিমের আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি তুলে দেন।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (পরিকল্পনা) ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী (উপ-সচিব)’ র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের সহধর্মিনী ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সুরকার ও গীতিকার মিজ. অনামিকা ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (অব.) মধু মঙ্গল চাকমা, খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলম, খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল কামরুজ্জামান, পাচউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মুজিবুল আলম এবং বোর্ডের উপ-সচিব মংছেন লাইন রাখাইন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ধর্মরাজ বড়ুয়া, খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক অরণ্য বার্তার সম্পাদক চৌধুরী আতাউর রহমান রান্না, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট’র উপ-পরিচালক (ভাব:) জীতেন চাকমা, দৈনিক আলোকিত পাহাড় পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ সাজুসহ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক, অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের প্রয়াসে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিভিএম, স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিগ্রী (পাশ), ডিপ্লোমা, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসায় সম-পর্যায়ে অধ্যয়নরত তিন পার্বত্য জেলায় বৃত্তিপ্রাপ্ত সংখ্যা ২,২০০ (দুই হাজার দুইশত বাইশ) জন। আর তার মধ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৪৬ জন (বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় ৪২৫ জন এবং কলেজ পর্যায় ৩২১ জন)। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে বাঙালি ২০৩ জন, চাকমা ২৬১ জন, ত্রিপুরা ১৫৭ জন ও মারমা ১২৫জন।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাগড়াছড়ি সদরে কলেজ পর্যায়ে ১শ৫৭, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১শ ৬৯জন; দীঘিনালা উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ৪৩, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ৫৭জন; গুইমারা উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ১৮, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ২০জন; লক্মীছড়ি উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ০৮, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১৩জন; মানিকছড়ি উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ১২, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১৮জন; মাটিরাঙ্গা উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ২৮, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ৫৩জন; মহালছড়ি উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ১২, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ২৩জন; পানছড়ি উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ৩৪, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ৫৪জন; রামগড় উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে ০৯, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১৮জন।


































