নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা নেবে সরকার
০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নির্ধারিত দামে কোথাও এলপিজি পাওয়া না গেলে বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে বেশ অস্থিরতা রয়েছে। এর মধ্যেও সরকার এলপিজির দাম সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। তবে কোথাও কোথাও সমন্বয় করা দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, খোলা বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কমিশন নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনলাইন সভা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তদারকি চলছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, এর আগে অনিয়মের দায়ে অনেককে জরিমানা করা হয়েছে। এখন এসব কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
এলপিজির বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও সরকার আলোচনা করছে বলে জানান তিনি। জ্বালানি মন্ত্রী এলপিজি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বাজার স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সরকার আশা করছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে এলপিজি নিয়ে বাজারের বর্তমান সংকট কমে আসবে।
নির্ধারিত দামে এলপিজি না পাওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এলপিজি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি পণ্য। এটি ছাড়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন কঠিন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু অভিযান চালিয়েই এলপিজি বাজারের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকার দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপিজি আমদানি ও বোতলজাতকারী ব্যবসায়ীরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সে বিষয়েও কাজ করছে।
তিনি বলেন, এর ফলে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হবে না এবং বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ। শুধু ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান দিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। খাদ্যসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চলছে।






























