করোনার জেএন.১ উপধরন: ঝুঁকিতে দীর্ঘমেয়াদি রোগাক্রান্তরা

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩৪ পিএম


করোনার জেএন.১ উপধরন: ঝুঁকিতে দীর্ঘমেয়াদি রোগাক্রান্তরা

ছবি- সংগৃহীত।

 

দেশে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের অমিক্রন ধরনের জেএন.১ উপধরনটিতে আক্রান্তদের লক্ষণ প্রকাশের তীব্রতা কম হলেও এটি দ্রুত ছড়ায়। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু, অন্তঃসত্ত্বা ও যাদের কোমরবিডিটি (একই সঙ্গে থাকা একাধিক রোগ) আছে, তাদের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ। এজন্য সব শ্রেণিপেশার মানুষের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে বিশেষ সাবধনতা অবলম্বন করতে হবে। 

 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪ জনের দেহে করোনা শনাক্তসহ একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রোগী শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। কিন্তু বর্তমানে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধিসহ জেএন.১ উপধরন চোখ রাঙ্গালেও রোগটি প্রতিরোধে কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। এমন বাস্তবতায় জেএন.১ উপধরনটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন উপধরনটিকে ‘ভেরিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ বা এর দিকে নজর রাখার মতো ধরন বলেছে। যেহেতু এটি অতি দ্রুত ছড়ায়, ভীতিটা সেখানেই। তাছাড়া যখন কোনো রোগে সংক্রমণ বেশি হয়, তখন স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর প্রভাব পড়ে। রোগী বেশি হলে হাসপাতালগুলোতে চাপ সৃষ্টি হয়। স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে, রোগ যাতে বেশি না ছড়ায়, সেদিকে নজর দিতে হবে। বলা হচ্ছে জেএন.১ এর ঝুঁকি কম থাকলেও রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে ফাঁকি দেওয়ায় অনেক বেশি কার্যকর। এ কারণে এর সংক্রমণ বৃদ্ধির বিষয়টি হেলাফেলা করা যাবে না। 

 

নতুন উপধরনটির বৈশিষ্ট্য, ছড়িয়ে পরার শঙ্কার দিক এবং প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার কার্যকারিতা কতটুকু সে ব্যাপারে সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। ভাইরোলজিস্ট, চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আইইডিসিআরকে ভাইরাসের জিনগত নকশা (জেনোম সিকোয়েন্সিং) উন্মোচনের কাজ বাড়াতে হবে।

 

 

Ads