ইবিতে জুলাই শহীদদের স্মরণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা


ইবিতে জুলাই শহীদদের স্মরণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ‘জাগ্রত জুলাই’ আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি।এতে সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি নাটিকা মঞ্চায়িত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.ওবায়দুল ইসলাম, আইআইইআর পরিচালক অধ্যাপক ড.মোস্তাফিজুর রহমান, সসাস শিল্পীগোষ্ঠীর  নির্বাহী পরিচালক এইস এম আবু মুসা ও সসাসের উপদেষ্টা গোলাম জাকারিয়া এবং ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটের চেয়ারম্যান মুহা.মাহমুদুল হাসান।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘৫ আগস্টের পর ফ্যাসিস্ট বিদায় হলেও কালচারাল ফ্যাসিস্ট বিদায় হয়নি। ৫ আগস্টের পরবর্তীত যে দাবি তা সুন্দর একটা সমাজ বিনির্মাণ করা। আমরা আশা করছি তরুণদের নিয়ে সেই কালচারাল আগ্রাসন মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো।  একট রাষ্ট্রকে তিনটি ক্রাইটেরিয়া পূরণ করা দরকার অর্থনৈতিক শোষণ থেকে, সাংস্কৃতিক গোলামি থেকে এবং রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে জাতিকে মুক্তি করা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো ভিসি অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের ওপর এমন জুলুম নির্যাতন করেছিল, যার পরিণতি ৫ আগস্ট এক কাপড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হলো। হাসিনার পালানো নিয়ে আমার আপত্তি নাই। কারণ, তার স্বামীর কাছেই পালিয়েছে। যেমনটা মেয়ে বিয়ে দিলে বাপের বাড়ি রাখা যায় না। পরবর্তীতে যারাই ফ্যাসিস্ট হবে হাসিনার চেয়ে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে। এখন এক থাকার সময়। জুলাই বিপ্লবের ক্রেডিট ভাগাভাগি না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

 

Ads