শার্শার সাবেক এমপি শেখ আফিল উদ্দিনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১১:০৭ এএম
বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, চাঁদাবাজি ও লুটপাটের অভিযোগে যশোর-১ (শার্শা) আসনের টানা ৪ বারের সাবেক এমপি শেখ অফিল উদ্দিনসহ ১১ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
যশোর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও শার্শা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলগাছি গ্রামের মোস্তফা কামাল মিন্টু।
অভিযোগ আমলে নিয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা সাতদিনের মধ্যে শার্শা থানার ওসিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী আমিনুর রহমান।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, শার্শার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শ্যামলগাছী গ্রামের কবীর উদ্দিন তোতা, একই গ্রামের চারভাই রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম মন্টু, তরিকুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম, একই গ্রামের শান্টু ওরফে কালু, ছাত্তার, শার্শা টিএনটি অফিস এলাকার আসাদুজ্জামান আসাদ, শার্শা গ্রামের আদিল এবং উত্তর বুরুজ বাগানের হাফিজুর রহমান মিন্টু।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার বাদী মোস্তফা কামাল মিন্টুর যশোর জেলা আইনজীবী সমিতিতে ‘লচেম্বার রয়েছে। এছাড়াও তার আরেকটি চেম্বার রয়েছে নিজবাড়ি সংলগ্নে। সেখানে বসে তিনি এলাকার মানুষের আইনি সেবা দেন। ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর নিজ এলাকার চেম্বারে বসে ছিলেন তিনি। এমন সময় শার্শা-১ আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিনের নির্দেশে অন্য আসামিরা বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে অফিসে হামলা চালায়। এসময় তার গলায় গাছি দা ধরে বলে‘বড় নেতা হয়ে গেছিস? তোকে খুলনার বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে কে যেতে বলেছিল? এছাড়া তারা আরও বলে আগামী সপ্তাহে আমাদের পিকনিক সেখানে তুই পাঁচলাখ টাকা দিবি, না দিলে তোকে হত্যা করে লাশ গুম করে দেয়া হবে। এর প্রতিবাদ জানালে, আসামিরা তার অফিস ভাঙচুরসহ বিভিন্ন আসবাব পত্র লুট করে নিয়ে যায় এবং মামলার নথি ছিড়ে ফেলে। পরে হত্যার হুমকি দিয়ে চেম্বারের ড্রয়ারে থাকা বাদীর দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি শার্শা থানায় মামলা করার জন্য গেলে থানা পুলিশ মামলা নেয়নি। এখন দেশের পরিবেশ স্থীতিশীল হওয়ায় তিনি আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

















