করোনা ভাইরাস : শিক্ষার্থীদের দাবি ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

১৫ মার্চ ২০২০, ০৪:৪২ পিএম


করোনা ভাইরাস : শিক্ষার্থীদের দাবি ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা

ছবি-সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস বর্তমানে আতঙ্কের নাম। এই ভাইরাস চিন, ইতালিসহ উন্নত উন্নত দেশ এই ভাইরাস এর প্রতিষেধক তৈরি করতে পারেনি এখনো। বাংলাদেশে ইতোমধ্যে তিন জন শনাক্তসহ কেয়ারেন্টাইনে আছন প্রায় ১২০০ জন।

সারাদেশে ১৩ মার্চ শুক্রবার থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে পোস্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারের কাছে খোলা চিঠির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। মূলত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি ও সচেতনতার অভাবে দ্রুত শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস যার ফলে মুহুর্তের মধ্যেই আক্রান্ত হতে পারে হাজার হাজার শিক্ষার্থী এমন ভয়ে কেউ কেউ পরীক্ষা না থাকায় ক্যাম্পাস ছেড়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন ।

আমরা সবাই জানি যে, করোনা এখন গ্লোবাল ইস্যু। এটাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারি ঘোষণা করেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও এর সংক্রমণ হচ্ছে। এই ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উন্মুক্ত একটি জায়গা। এখানে সব ধরনের মানুষের প্রবেশ ও চলাচল রয়েছে। আর শিক্ষার্থীদের তুলনায় ক্যাম্পাস অনেক ছোট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি উঠেছে বুয়েট, ঢাবি, জাবি, জাককানইবি নোবিপ্রবি, বশেমুরবিপ্রবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের। কারণ, বেশি মানুষের মধ্যে এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পরে, তাই গন পরিবহন, গন জামায়াত পরিহার করা। আর সেই জন্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে দাবি উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করার।

ক্যাম্পাস বন্ধ হবে কি না এ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, তবে আপাতত সরকারি নির্দেশনার দিকে তাকিয়ে আছেন বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। করোনা আতঙ্কের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো পরিদর্শন করলে দেখা যায় বেশির ভাগ শিক্ষার্থী বাড়িতে চলে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৯। এর মধ্যে ৭৫ হাজার ৯১৯ জন সুস্থ হয়েছে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৮২৪। চীনের বাইরে ৭৫ হাজার ৭০৫ মানুষ। বর্তমানে ৭৪ হাজার ৭৭৫ জন আক্রান্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৮ হাজার ৭৮৭ জনের অবস্থা স্থিতিশীল অথবা উন্নতির দিকে এবং বাকি ৫ হাজার ৮৮৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Ads