অতিরিক্ত ডিআইজির জমি দখলের অপচেষ্টা, অবশেষে ছাড়তে হল সেই জমি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৪ পিএম
দিনের আলোতে নয় ‘রাতের আঁধারে জমি দখল করলেন পুলিশ কর্মকর্তা’ এ শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দখল ছেড়েছেন সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি (বরিশাল বিভাগ) শফিকুল ইসলাম।
গতকাল শনিবার দুপুর ১টার দিকে খিলগাঁও থানা পুলিশের উপস্থিতিতে জমি থেকে সাইনবোর্ড সরানো হযেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়া। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশের করে যার কাছ থেকে বায়না করে জায়গা দখল করতে চেয়েছিলেন, সেই টাকাও ফেরত নেবেন বলে জানান শফিকুল।
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় গভীর রাতে শতাধিক ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জমি দখল করতে মধ্যরাতে সন্ত্রাসীরা জমির মালিকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বিভিন্ন গণমাধ্যম জোর করে জায়গা দখলের অভিযোগে গতকাল সংবাদ প্রকাশ করে। এ সংবাদ দেখে এদিন দুপুরেই রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী আবাসিক এলাকা লাগোয়া মেরাদিয়ায় যে জমিতে সাইনবোর্ড স্থাপন করেছিলেন, সেখানে আসেন শফিকুল। সঙ্গে ছিলেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা। তাদের উপস্থিতিতে জমির দখল ছেড়ে দেন শফিকুল। বর্তমানে স্থানীয়দের সহায়তায় তুলে ফেলা হয়েছে সেই সাইনবোর্ড।
এ জমির মালিকদের একজন হাসনা বানু প্রতিদিনেরচিত্র বিডি কে বলেন, এই জমি আমার বাবার জায়গা। জোর কইরা দখল করতে চাইছিল। আমি কি সহজে ছাইড়া দিমু? পুলিশ অফিসার (শফিকুল ইসলাম) আজকে আইসা সাইনবোর্ড তুইল্লা নিছে। আমার পৈতৃক জমি দখলমুক্ত হইছে। পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে থানা পুলিশও পক্ষ নেয়া বাদ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলাম শতাধিক লোক দিয়ে রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর ইস্টার্ন বনবিথী শপিং কমপ্লেক্সের (দশতলা মার্কেট) পেছনে স্থানীয় মো. মোহন ও তার বোন হাসনা বানুর পৈতৃক সম্পত্তি প্রায় ৩৩ শতাংশ জমির খালি জায়গায় সাইনবোর্ড স্থাপন করে দখল করে। এতে লেখা ছিল বায়না সূত্রে এ জমির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম, সিআইডি হেড কোয়ার্টার। সেখানে জমির তপশিল উল্লেখ করে পুলিশের ওই কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরও জুড়ে দেওয়া হয়।



























