স্যালাইনের দাম বেশি নিলে সেই প্রতিষ্ঠান সিলগালা- ভোক্তা অধিকারের ডিজি
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:৩২ পিএম
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, স্যালাইনে কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে আজ বৃহস্পতিবার থেকে অভিযান শুরু করবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। স্যালাইনের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকারি, খুচরা বিক্রেতা ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, আমাদের অভিযানে যদি আমরা দেখতে পাই কোথাও স্যালাইনের স্টক করে রাখা হয়েছে, সেটি আমরা সিলগালা করে দেব। এ ছাড়া সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে তাদের স্থায়ীভাবে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। যারা স্যালাইনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়েছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সেসব ফার্মেসিগুলো আমরা বন্ধ করে দিতে চাই।
তিনি বলেন, ফার্মেসিতে স্যালাইনের যে স্টক আছে, তা থাকাকালীন যদি ক্রেতাদের বলা হয় স্যালাইন নেই বা বেশি দাম ধরা হয়, এটা যদি আমরা বের করতে পারি, তাহলে আমরা সেই ফার্মেসি বা প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করে দেব। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করার ব্যবস্থা করা হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আশা করা যায়, স্যালাইনের যে ক্রাইসিস চলছে, এটার সমাধান করা যাবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, স্যালাইনের গায়ে যে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য দেওয়া আছে, এর চেয়ে এক টাকাও বেশি বিক্রি করা যাবে না। আমি স্পষ্টভাবে এটি সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিতে চাই, এরপরও যদি বেশি দামে স্যালাইন বিক্রি করা হয়, তাহলে আমরা আমাদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। স্যালাইনের মূল্য নিয়ে কোথায় সমস্যা আছে, তা আমরা চিহ্নিত করতে চাই। আমাদের কথা স্পষ্ট, এমআরপি বা স্যালাইনের গায়ে যেটা লেখা আছে, সেটা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য। এর বাইরে এক টাকাও বেশি বিক্রি করা যাবে না।
সভায় স্যালাইনের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকারি, খুচরা বিক্রেতা ও সংশ্লিষ্টরাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


































