রায়পুরায় খাল অবমুক্ত করতে নেমেছে প্রশাসন

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:৪৭ পিএম


রায়পুরায় খাল অবমুক্ত করতে নেমেছে প্রশাসন

ছবি-সংগৃহীত

নরসিংদীর রায়পুরায় দুটি ইউনিয়নের মাঝে অবস্থিত চরসুবুদ্ধি-হাইরমারা খালের পাশের সড়কের ওপর নির্মিত কালভার্টের মুখ বালি ফেলে বন্ধ করে দিয়েছে হাইরমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। খালটির কিছু অংশের মালিকানা দাবি করে তাতে বালি ফেলে ভরাটের কাজও করছেন তিনি। পরে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে খাল ভরাটের কাজ সাময়িক বন্ধ রাখেন। অপরদিকে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি খালটির বাজারের অংশ দখল করে নির্মাণ করেছেন ১০/১৫টি দোকান। ওই দুটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের বিকল্প পথ না থাকায় দ্রুত খালটি দখলমুক্ত করা না গেলে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে ফসলি জমি ও হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।সরেজমিনে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরসুবুদ্ধি-হাইরমারা খালটি দিয়ে বর্ষা মৌসুমে ওই দুটি এলাকার ফসলি জমি ও বসতবাড়ির পানি কালভার্ট দিয়ে আড়িয়াল খাঁ নদে এসে পরতে দেখেছি  । ১৯৯৬ সালে খালের ওপর দিয়ে চরসুবুদ্ধি বাজার থেকে আব্দুল্লাহ্পুর সড়ক নির্মাণের সময় বদলে যায় খালের গতিপথও। অতীতে প্রায় অর্ধকিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটি স্থানভেদে এর  প্রস্থ ২৪ ফুটের মতো ছিল । দখলদারদের কারণে বর্তমানে খালটি বন্ধ হয়ে গেছে। দখল ও ময়লা-আর্বজনায় খালের অবশিষ্ট অংশও বিলীন ।

বালি ফেলে কালভার্টের মুখ বন্ধ করার কথা স্বীকার করে হাইরমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক বাবলা বলেন, কালভার্টের সামনের খালের অংশটুকু তার জমি। তাই তিনি বালি ফেলে ভরাট করছেন। বালি ভরাটের কাজ শেষ হলে পাইপ বসিয়ে পানি চলাচলে ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানান তিনি। গত কাল সোমবার ৩ রা জানুয়ারি    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান খন্দকার। চরসুবুদ্ধি-হাইরমারা খালের সীমানা নির্ধারণ, পর্যবেক্ষণ  শেষে বলেন, খাল থেকে মাটি ও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে বলেছি। তারা দুজনই বলেছেন, দুই দিনের   মধ্যে তাদের অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেবেন।

এদিকে এ পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে চরসুবুদ্ধি ইউপি চেয়ারম্যান, হাজী নাসির উদ্দিন বলেন, খালটি দখলমুক্ত হলে দুটি ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। সাধারণ জনগণও আশাবাদী সম্পুর্ন খালটি অবমুক্ত করা হবে অচিরেই। 

Ads