লালমনিরহাটের অপহৃত সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ
১৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:০১ পিএম
প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন।
লালমনিরহাটের অপহৃত হওয়া দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রুহুল আমিনকে লালমনিরহাট জেলা ডিবি পুলিশ ঢাকার তেজগাঁও থানা এলাকা হতে উদ্ধার করে।
এদিকে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটির নতুন মোড় নিয়েছে। জানা যায় এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকার আত্মসাৎ এর অভিযোগ তুলেছে অপহরণকারীর পরিবার। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল বারীর আপন ভাতিজা বিপু ইসলাম ও ভাগ্নে মামুন ও হারুন সাংবাদিকদের জানান শিক্ষক রুহুল আমিন বিভিন্ন সময়ে কৌশলে চাকুরি দেবার কথা বলে দফায় দফায় টাকা আদায় করে এবং ডকুমেন্ট হিসেবে আমাদের কে ব্ল্যাংক চেক প্রদান করেন। আমরা বিভিন্ন ভাবে টাকা সংগ্রহ করে তাকে দেই তাই আমরা ঋণ গ্রস্থ হয়ে পড়লে শিক্ষক নুরুল আমিনকে টাকার চাপ দিলে সে টালবাহানা করতে থাকে, এক পর্যায়ে শিক্ষক নুরুল আমিন আব্দুল বারীকে টাকা নেয়ার কথা বলে ডাক দিলে তারা তার বাড়িতে আসে।
পরে ঐ মাস্টারের পরিবার তাদের উপর চড়াও হয় এবং চিল্লাচিল্লি করে লোকজন জড়ো করতে থাকলে উপায় না পেয়ে অভিযুক্ত আব্দুল বারী ও তার সহযোগী মিলে শিক্ষক নুরুল আমিনকে গাড়ি থেকে তুলে নেয় এবং ঢাকায় নিয়ে আসে। এরপরে শিক্ষকের পরিবার নাটক সাজিয়ে ভিন্ন মাত্রায় সংবাদটি প্রকাশ করলে লালমনিরহাট জেলা ডিবি পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। অভিযুক্ত আব্দুল বারীর ও শফিউল আলম এর পরিবার দাবী করছেন এই শিক্ষকে অপহরণের উদ্দেশ্য নিয়ে আসেনি। আমাদের টাকা দেবার ভয়ে তারা মিথ্যাচার করেছেন। শিক্ষক নুরুল আমিনের টাকার লেনদেনের প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছেন আব্দুল বারী ও শফিউল আলম এর পরিবার।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এ শিক্ষক এরকম চাকরি দেবার কথা বলে আরো অনেকের কাছে টাকা নিয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে এমপি মন্ত্রী ও আরো বড়ো জায়গায় তার হাত আছে বলে ঐ শিক্ষক দাবি করে থাকেন।
এরআগে ডিবি পুলিশ অভিযানে নেমে অপহরণের ৫দিন পর বৃহস্পতিবার ভোররাতে তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে ভিকটিম নরুল আমিনকে উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করে লালমনিরহাটে নিয়ে আসে।






















