ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে কাপছে লালমনিরহাট
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:০৬ পিএম
ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।
গত কয়েক দিনের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কাপছে লালমনিরহাট। জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনে সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে জেলার শহর ও গ্রাম-গঞ্জের জনজীবন নাকাল হয়ে পড়েছে।
তীব্র শীতে ও ঘন কুয়াশায় রাস্তা-ঘাটে যানবাহন ও মানুষ চলাচল কমে গেছে। হাতে কাজ না থাকায় চরের অভাবী,দিনমজুরদের ঘরে খাদ্যভাব দেখা দিয়েছে। শীতবস্ত্রের অভাবে হত-দরিদ্র মানুষগুলো চরম কষ্টে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে দিনাতিপাত করছে।ঠান্ডার কারনে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলাসহ লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলায় তীব্র শীতের কারণে গ্রামাঞ্চলসহ তিস্তা-ধরলা, রত্নাই বেষ্টিত ৬৩টি চরের মানুষ পড়েছে সবচেয়ে বেকায়দায় । রোববার দিনভর মৃদু কুয়াশা ছিল। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে যায় গোটা লালমনিরহাট জেলা। গতকাল রোববার শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। সন্ধ্যার পর থেকে এর ঘনত্ব বাড়ে। রাত ১০টার পর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো এলাকা। একই অবস্থা আজ সোমবার হিমেল হাওয়ার কারণে রাস্তা-ঘাট ফাঁকা। ফলরে জেলা শহরের বিপণি-বিতান, রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, অটোরিক্সা স্ট্যান্ডসহ কোলাহলপূর্ণ স্থানগুলোতে লোকজন নাই বললেই চলে।
আরো পড়ুন: করোনা ভাইরাসে দেশে আরো ১৮জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০২
রোববার থেকে আজ সোমবার সারাদিন কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে হতদরিদ্র মানুষগুলো আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। এলাকায় ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে যায় লালমনিরহাট শহর ও গ্রাম। ফুটপাতের সবজি,মাছ,ফলমূল ও শীতের কাপড় ব্যবসায়ীসহ সবধরনের দোকানদাররা বেচা-কেনা না থাকায় তারা দোকান গুছিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। রিকশাচালক, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরাও ভাড়ার আশায় আর বসে থাকছেন না। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।






















