মনোনয়ন কিনতে পারেনি ২ প্রার্থী

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

২১ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৪৬ পিএম


মনোনয়ন কিনতে পারেনি ২ প্রার্থী

দুই সদস্য প্রার্থী- আশরাফ আলী ও আলতাব হোসেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য ২ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র কিনতে গিয়ে দেখেন নিজ ওয়ার্ডের ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম উধাও হয়ে গেছে।

এ ঘটনায় ওই দুই প্রার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
 
জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বিছনদই গ্রামের মৃত. আনা উল্লাহ’র ছেলে আশরাফ আলী যার ভোটার ক্রমিক নং ৬৮ ও একই ওয়ার্ডের ছোলেমান গনির ছেলে আলতাব হোসেন যার ভোটার ক্রমিক নং ১০৭। জন্ম সূত্রে ৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা ও ভোটার তারা। ২৩ ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডের সম্ভাব্য সদস্য প্রার্থী হিসেবে দু’জনেই গণসংযোগ করে আসছেন।
নির্বাচনের মনোনয়ন কিনতে গিয়ে দেখেন সদ্য প্রকাশিত ভোটার তালিকায় নিজ ওয়ার্ডে সম্ভাব্য দুই প্রার্থীসহ একাধিক ব্যক্তির ভোটারের তালিকায় নাম নেই। পরবর্তীতে ভোটার তথ্য যাচাই করে দেখেন আশরাফ আলীর ভোট ৬ নং ওয়ার্ড থেকে পার্শ্ববর্তী ৪ নং ওয়ার্ডে এবং আলতাব হোসেন’র ভোট ২ নং ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সে কারণে দুই সম্ভাব্য প্রার্থী আর নির্বাচন করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে আশরাফ আলী বলনে, এবারের নির্বাচনে আমি ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী। মেম্বার ও চেয়ারম্যানের প্রত্যায়ন পত্র ছাড়া ভোট স্থানান্তর করা যায় না। প্রতিহিংসার কারণে ইউপি সদস্য আক্তারুজ্জামান স্বপন ও চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ আমার অজান্তে ভোট স্থানান্তর করেছে। তাই ন্যায় বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অপরদিকে, আলতাব হোসেন বলেন, নিজের বসতবাড়ি ৬নং ওয়ার্ডে। যখন প্রথম ভোটার হয়েছি তখন থেকে এই ওয়ার্ডে ভোট দিয়ে আসছি। এবারে আমি ভোট করব গ্রামবাসী সবাই জানে। ভোটে আমার জয় নিশ্চিত জেনে ষড়যন্ত্র করে আমার ভোট ৬নং ওয়ার্ড থেকে ২ নং ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেছে। নিরুপায় হয়ে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবীতে বৃহস্পতিবার অভিযোগ দিয়েছি।
 
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আক্তারুজ্জামান স্বপন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাদের ভোট কে স্থানান্তর করেছে আমি জানি না বলে ফোন কেটে দেন।

ডাউয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ বলেন, আমার জানামতে তাদের বসতবাড়ি ও ভোট ৬নং ওয়ার্ডে। হয়তোবা কেউ আমার স্বাক্ষর জাল করে প্রত্যায়ন দিয়ে আশরাফ ও আলতাবসহ একাধিক ব্যক্তির ভোট নিজ ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন পৃথক দু’টি অভিযোগ পেয়েছেন বলে সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে অবশ্যই সমস্যার সমাধান করা হবে।

ও/এফ

Ads