কুড়িগ্রামে লাগামহীন পিয়াজ, রসুন, করলা, কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম
০৬ মার্চ ২০২৩, ০৯:৩৯ পিএম
ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।
পবিত্র মাহে রমজান কে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের বাজারগুলোতে কয়েকটি পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেশির ভাগ পণ্যের দাম এখনও কমেনি। সোলা, চিনি, খেজুর সহ নিত্য প্রয়োজনীয় নিত্য পণ্যের দাম বেশি বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।
একাধিক সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এখানে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। এরই মধ্যে কুড়িগ্রাম সব বাজারগুলো বাড়ানো হয়েছে সবজির মধ্য পিয়াজ, রসুন, করলা, কাচা মরিচ, শুকনা মরিচ, পোটল, ঢেরস, মিষ্টি কুমড়া, শশা, লেবু, ঝুল ও মরিচের গুড়া, ভোজ্যতেল ও মুরগির দাম। সরবরাহ ঘাটতি না থাকলেও দাম বাড়ানো হচ্ছে। এদিকে সরকার নির্ধারিত দামে কোথাও বিক্রি হচ্ছে না ভোজ্যতেল। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০০টাকা। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় এসব পণ্যের দাম আরও বেশি। এছাড়াও গরুর মাংস ৭০০টাকা এবং খাসির মাংস ৯০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসলার বাজার বেশির ভাগ পণ্যের দ্বিগুণ দাম বেড়েছে।
একাধিক স‚ত্র জানায়, প্রশাসনের বাজার মনিটরিংয়ের কারণে গত কয়েক বছর ধরে রমজানে দ্রব্যম‚ল্য তেমন একটা বাড়ানোর সুযোগ পান না পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তারা এখন কৌশল পালটেছেন। রমজান আসার আগেই তারা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেন, যাতে পরে এ নিয়ে আর প্রশ্নের মুখে পড়তে না হয়। এবারও রমজানের ঠিক আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যম‚ল্য বেড়ে গেছে।
ক্রেতারা জানান, বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোয়াবিন তেলের দাম সরকারিভাবে কমানো হলেও তার কোন প্রভাব নেই। মসলার বাজার বেশির ভাগ পণ্যের দ্বিগুণ দাম বেড়েছে। লাগামহীন পিয়াজ, রসুন, করলা, কাচা মরিচসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম।
বিক্রেতারা জানান, রমজান কে সামনে রেখে গত এক সপ্তাহে নিত্য পণ্যের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার সামান্য কিছু আয় করে পণ্যে বিক্রি করছি।
কুড়িগ্রাম জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে নিত্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। মার্চের প্রথম সপ্তাহে তিনটি অভিযান পরিচালনা করে ১১টি প্রতিষ্ঠান কে ২৫হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করা হয়েছে।




















