কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন-চাষিদের মুখে হাসি
০৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:১২ পিএম
ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।
কুড়িগ্রামে ছোট বড় মিলে রয়েছে ১৬ টি নদ-নদী। এসব নদ-নদীর অববাহিকাসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে এবার মিষ্টি কুমড়ার ব্যাপক চাষ হয়েছে, ফলনও হয়েছে বাম্পার। মিষ্টি কুমড়ার ফলন ভালো হওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার নদ-নদীগুলোর অববাহিকায় বালু মাটিতে সুইটি, সোহাগী, সেরা, ছক্কা ও ব্যাংকক-১ জাতের মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপন করেছেন কৃষকরা। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ। ফলন ভালো হওয়ায় এবার জেলাতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে সুদিনের স্বপ্ন দেখছেন চরাঞ্চলের চাষিরা।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে সব মিলে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে এক বিঘা জমির উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হবে ৬০-৭০ হাজার টাকা। কুমড়ার বীজ জমিতে বপনের ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যেই কুমড়া বিক্রি করা সম্ভব বলে জানান চাষিরা। কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী জেলায় আনুমানিক প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে শুধু মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চর বড়াই বাড়ি এলাকার মো. খোরশেদ আলম, মো.খলিলুর রহমান, ও মো.আপেল মিয়া জানান, এবার প্রথম আমরা তিনজন বন্ধু মিলে এ চরে ৬০বিঘা জমিতে ৭লাখ টাকা সবুজ বাংলা, সেরা, চায়না থ্রী মায়া জামাল ১ ও ব্যাংকক-১ জাতের মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপন করেছি। গাছ ভালো হয়েছে ও ফুল আসছে। আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে আসা করছি আগামী ১ মাসের মধ্যে বাজারে বিক্রি করতে পারবো।
ওই চরের কৃষক খোরশেদ আলম ও খলিরিল বলেন, ৬০বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় এবার কীটনাশক ও সারের মূল্য বেরে যাওয়ায় ব্যয় হয়েছে ১৫-২০হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে এক বিঘায় ৬০থেকে ৭০হাজার টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করতে পারবো।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি উপপরিচালক বিপ্লব কুমার হিমন্ত বলেন জেলার বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি কুমড়ার ফলন ভালো হচ্ছে। কৃষকদের সফলতা কামনা করে তাদের কাঙ্ক্ষিত আশা পূরণ হবে বলে জানিয়েছেন ।




















