রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শঙ্কা

মোঃ সহিদুল ইসলাম সুমন

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:০২ পিএম


রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শঙ্কা

সহিদুল ইসলাম সুমন।

 
বাংলাদেশের অর্থনীতি জন্য বৈদেশিক রেমিটেন্সের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন খাত হচ্ছে রপ্তানী আয়। আর দেশের বর্তমান বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। ৯০ এর দশকে আমাদের অর্থনীতি ছিল অনেকটা ঋণ নির্ভর। আজ সেখান থেকে আমরা বানিজ্য নির্ভর অর্থনীতিতে পৌঁছাতে পেরেছি। তখন আমাদের ঋণের পরিমান, রেমিটেন্স আর রপ্তানী থেকে যে পরিমান আয় হতো তার প্রায় সমান ছিল। সেখান থেকে আজ দেশের যে পরিমান ঋণ আছে তার চেয়ে প্রায় ৮ গুণ বেশি রেমিটেন্স ও ট্রেড ইনকাম আছে। আমরা এখন অনেক দুর এগিয়ে গেছি তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।তার পর ও অর্থনীতির কিছু ভুল নীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতি টানাপোড়েনের কারনে অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরী্ হয়েছে।
 

চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২৪) জন্য পণ্য ও সেবা রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৭২ বিলিয়ন (৭২০০ কোটি) মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানিতে আয় ধরা হয়েছে ৬২ বিলিয়ন ডলার ও সেবা রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ আয়ের লক্ষ্য ঠিক করেছে। এটি আগের অর্থবছরের (২০২২-২৩) লক্ষ্যের চেয়ে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি।পণ্য রপ্তানিতে যে ৬২ বিলিয়ন ডলার আসবে, তাতে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর ১১ দশমিক ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে সেবা রপ্তানি থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশা করা হচ্ছে।২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। সেখানে আয় করা গেছে ৫৫ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।ইপিবির তথ্য অনুযায়ী,  ২০২৩–২৪ অর্থবছরের প্রথম সাত মাস জুলাই–জানুয়ারিতে সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৩২৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ হাজার ২৪৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অবশ্য প্রবৃদ্ধি ছিল ১ শতাংশের কম।নতুন বছরের শুরুতেই দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বছরের প্রথম মাসে পণ্য রপ্তানিতে ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা রপ্তানিকারকদের প্রত্যাশার চেয়ে নিঃসন্দে বেশি। এমন একসময়ে রপ্তানিতে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হলো, যখন দেশে ডলার–সংকটের কারণে ব্যবসা–বাণিজ্য নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বাংলাদেশ মোট ৫৭২ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৫১৪ কোটি ডলার, অর্থাৎ ৫৮ কোটি ডলার বা ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি এবং লক্ষ্যমাত্রার প্রায় কাছাকাছি। সদ্য সমাপ্ত জানুয়ারিতে দেশের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৭৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মাত্র ৪ কোটি ডলারের কম রপ্তানি হয়েছে।
 

জানুয়ারি মাসের যে তথ্য, তাতে রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফেরার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে বেশ কয়েক মাস ধরে রপ্তানিতে বেশ ওঠানামা দেখেছি। এ ওঠানামা সামনের মাসগুলোতেও থাকবে বলে ধারণা করা যায়। যদি জানুয়ারি মাসের প্রবৃদ্ধির ধারা আগামী মাসগুলোতে ও ধরে রাখা যায়, তাহলে দুশ্চিন্তা কিছুটা কমবে।তবে এটি ধরে রাখা খুবি চ্যালেঞ্জিং।লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে অর্থবছরের বাকী পাঁচ মাস রপ্তানি করতে হবে ৫৭৫ কোটি ডলার হারে।যাকে এক রকম অসম্ভব বলছেন  উদ্যোক্তা ও বিশ্লেষকেরা।যদিও বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ টানা পূরণের মধ্যে রপ্তানিতে সুবাতাস ছিল জানুয়ারিতে।তথাপিও  পোশাক চামড়া সহ বিভিন্ন খাতের প্রনোধনা কমানোর ঘোষণায় বাড়তি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে উদ্যোক্তাদের, বিশেষ করে এর প্রভাব পোশাক খাতে একটু বেশি । তবে বাকি পাঁচ মাসে এক খাতের লক্ষ্যমাত্রা কতটা অর্জিত হবে তা নিয়ে সন্ধিহান উদ্যোক্তারা।এই ক্ষেত্রে অধিকাংশ উদ্যোক্তা মনে করেন গ্যাস সংকট ,কাস্টম জটিলতা ও ডলা্র সংকন্ট ই আমদানি রপ্তানি সবচেয়ে বড় সমস্যা ।তার সাথে যোগ হয়েছে সরকারের নতুন প্রনোদনার নীতি। ৩০জানুয়ারীর বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়েছে রপ্তানি খাতে নগদ সহায়তা কমানোর বিষয়টি, এবং ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধিবিধান অনুসারে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ হলে কোনো ধরনের রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেওয়া যায় না। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর একবারে নগদ সহায়তা প্রত্যাহার করা হলে রপ্তানি খাত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। সেই জন্য চলতি বছর থেকে অল্প অল্প করে নগদ সহায়তা কমানোর বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।প্রথম ধাপে খাতভেদে নগদ সহায়তা ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। এতে পণ্য রপ্তানিতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন রপ্তানিকারকেরা।
 

এই নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হচ্ছে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই তৈরি পোশাক থেকে। এবং গত জানুয়ারিতে মোট রপ্তানির ৮৮ দশমিক ৯ শতাংশ ছিল তৈরি পোশাক পণ্য।  তবে এখন নগদ সহায়তা কাটছাঁট করা হলে তৈরি পোশাকশিল্পের কমপক্ষে অর্ধেক পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া নগদ সহায়তা কমছে শীর্ষস্থানীয় রপ্তানি খাত চামড়া, পাটজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, আসবাব, প্লাস্টিকসহ বেশকিছু পণ্যে। সরকার বেশিরভাগ পোশাক পণ্য রপ্তানিতে সরকার নগদ সহায়তা প্রত্যাহার করেছে, এবং এবং বাদবাকী পণ্যে তা হ্রাস করেছে। তাই অনুকূল আভাস সত্ত্বেও– বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা করছেন রপ্তানিকারকরা।  
 

রপ্তানি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, পোশাক খাতে গত সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই সময়ে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৮৩৬ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৭৪২ কোটি ডলার। তবে পোশাকের মধ্যে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিটপোশাক রপ্তানি। গত জুলাই–জানুয়ারি সময়ে এ  খাতের রপ্তানি দাঁড়ায় ১ হাজার ৬১৮ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৯৬ কোটি ডলার। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।ওভেন পোশাক রপ্তানি এখনো নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, তবে গত জুলাই–ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে এসে এ খাতের রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে। তাতে কমে এসেছে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির হার। গত জুলাই–জানুয়ারিতে ১ হাজার ২১৮ কোটি ডলারের ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ১ হাজার ২৪৬ কোটি ডলারের তুলনায় ২ দশমিক ২০ শতাংশ কম।

 

তারপরে ও  অধিকাংশ অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, রপ্তানিতে প্রণোদনা বা ভর্তুকি অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না। এই প্রনোদনার বেশ কিছু অপপ্রয়োগ ও দেখা গেছে, যেমন প্রত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, “কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মামুন এন্টারপ্রাইজ গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৫৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। এই রপ্তানির বিপরীতে তারা সরকারের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকার নগদ সহায়তাও নিয়েছে। কিন্তু এখন কাস্টমসের তদন্তে দেখা যাচ্ছে, আসলে কোনো পণ্য রপ্তানি হয়নি। ভুয়া রপ্তানি দেখিয়ে তারা সরকারের নগদ সহায়তার টাকা আত্মসাৎ করেছে।এবং উক্ত প্রতিতষ্ঠানের রপ্তানির নথিপত্রে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে ঢাকার ফকিরাপুলের ইনার সার্কুলার রোডের শতাব্দী সেন্টার। সেখানে এই নামে কোনো প্রতিষ্ঠান কখনো ছিল না।“ সরকারের উচিত এখন ব্যবসার ক্ষেত্রে যেসব অদক্ষতা ও অবকাঠামোগত দুর্বলতা আছে, সেগুলোর উন্নতি করা।তাছাড়া পোশাক শিল্প ও এদেশে একটি প্রাপ্ত বয়স্ক শিল্প দীর্ঘ সয়ম ধরে এই প্রনোদনা দেওয়ার কোন অর্থই হয় না। তবে নির্দিষ্ট সময় বেধে দিয়ে সরকার এই কাজ টি করে পারতো।তাতে রপ্তানি কারকরা কম ক্ষতিগ্রস্থ হতো। এমন এক সময় এই কাজ টি করা হলো যখন দেশে তীব্র ডলার সংকট চলছে, ডলার–সংকটের  সময়ে এমনিতে পণ্য রপ্তানি বাড়ানো জরুরি। এই সময়ে এই সিদ্বান্তের রপ্তানী লক্ষমাত্রা অর্জন দুরুহ  হয়ে উঠবে।তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন,চলমান তীব্র ডলার সংকটের মধ্যেই নগদ টাকার সংকটে পড়েছে সরকার ও ব্যাংক খাত। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ব্যয় বেড়েছে। এর বিপরীতে আয় বাড়েনি বরং কমেছে। ব্যয়ের তুলনায় আয় না বাড়ায় টাকার সংকটে পড়েছে সরকার। অন্যদিকে ট্রেজারি বিল, বন্ড ও ব্যাংক ঋণের সুদহার বাড়িয়েছে সরকার।এমনিতে প্রায় ৬ হাজার কোটি প্রনোদনার টাকা সরকারে কাছে বাকী পরে আছে রপ্তানীকারক দের। সরকারের এই তীব্র অর্থ সংকটের সময় সব বিক্অল্প ই সরকার ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক।
 

অন্যদিকে  আমরা যেমনি রপ্তানী কারক আবার তেমনি আমদানীকারক ও বটে। আমরা শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে ফিনিস প্রোডাক্টস রপ্তানি করি, ডলার সংকটের কারনে বেশির ভাগ উদ্যোক্তাই ঠিক মতো কাঁচামাল আমদানি করতে পারছেন না। তার সাথে বিদ্যুৎ আর গ্যাস সংকট তো আছে ই।যার ফলে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে রপ্তানি খাতে।  
 

এই অর্থবছরে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারেনি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। গত জুলাই–জানুয়ারিতে ৬৩ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৬৩ কোটি ডলার। দেশের চামড়া খাতের রপ্তানিকারকরা বলছেন, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডাব্লিউজি) সনদ না থাকা, কমপ্লায়েন্স ও পরিবেশসহ নানা ইস্যুতে এমনিতেই বিপর্যস্ত দেশের চামড়া শিল্প। এ অবস্থায় পূর্বঘোষণা ছাড়াই ক্রাস্ট লেদার রপ্তানিতে রপ্তানি প্রণোদনা ১০ শতাংশ থেকে শূন্যে নামিয়ে আনার ঘোষণায় ব্যাপক লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা। চলতি অর্থবছরে রপ্তানির যে উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে  সংশয় রয়েছে রপ্তানিকারকদের। তবে আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি, প্রচলিত বাজারের চেয়ে অপ্রচলিত বাজারে বেশ ভালো করছে। তাই নতুন বাজার সৃষ্টির ক্ষেত্রে ব্যাপক নজর দিতে হবে । নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাসে ব্যবস্থা করতে হবে তাতে ই হয়তোবা সার্বিকভাবে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা দেখা যাবে। তবে বাকি ৫ মাসে ৫৭৫কোটি ডলার হারে রপ্তানি করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অত্যন্ত কঠিন কাজ। আবার রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি আয় সময়মতো দেশে ফেরানোটাও জরুরি। এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো দরকার। সময়মতো রপ্তানি আয় দেশে আনা গেলে,  চলমান ডলার–সংকট কাটাতে সহায়তা করবে।
 

লেখক : অর্থনৈতিক বিশ্লেষক।

 

বি:দ্র: উক্ত কলামের সম্পূর্ণ মতামত লেখকের, তথ্য উপাত্ত দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ তাঁর। 

 

 

Ads