গোপালগঞ্জে মা-মেয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা-খুনি গ্রেফতার

নাবিলা খাঁন

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫১ এএম


গোপালগঞ্জে মা-মেয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা-খুনি গ্রেফতার

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

 

গোপালগঞ্জে দেশীয় ভয়াবহ ধারালো অস্ত্র (কাতরা) দিয়ে নৃশংসভাবে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনায় নিহত মা বিউটি বেগম (৩৫) ও মেয়ে লামিয়া (১৪) ঘাতক খুনি  হারুন মিনার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজি।

 

সদর উপজেলার খালিয়া ইউনাইটেড একাডেমি স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী লামিয়া ও তার মা বিউটি বেগমের ঘাতক হারুন মিনাকে ঘটনার পর ৪ঘন্টা পর রাত ১১টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

 

গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই মো. আলমাস আল-রাজী রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের হারুন মিনা ও তার ছোট ভাই টুকু মিনার সাথে শরিকের জমি নিয়ে বেশ কিছু দিন যাবত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে একাধিকবার ঝগড়া-ঝাটিসহ মারামারির ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়  ছোট ভাই টুকু মিনার মেয়ে লামিয়া বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ভগ্নিপতির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময়  চাচা হারুন মীনা ভাতিজি লামিয়াকে সরে গিয়ে কথা বলতে বলেন। ভাতিজি না সরায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে চাচা হারুন মিনা তার স্ত্রী ও মেয়ে মিলে ঘরে থাকা দেশীয় ধারালো অস্ত্র (কাতরা) লামিয়াকে উপর্যপুরি কোপাতে থাকে। এ সময় মা বিউটি বেগম ও ছোট বোন অন্তরা ঠেকাতে গেলে তারা বিউটি বেগম ও অন্তরাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করে।  প্রতিবেশিরা তাদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মা বিউটি বেগম ও মেয়ে লামিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। 

 

পরে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। রাত ১১টার পর পুলিশ ঘাতক হারুন মিনাকে গ্রেফতার করেছে।  নিহতর স্বজনদের কান্নার আহাজারীতে সেখানকার আকাশ বাতাশ ভারি হয়ে উঠেছে।

 

 

Ads