o নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি সিইসির নির্দেশ o রাজশাহীতে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ, প্রচার-প্রচারণা শুরু o প্রশাসন ও আইসিটির প্রশিক্ষণে থাইল্যান্ড যাচ্ছেন কুতুবদিয়ার প্রধান শিক্ষক জহির o নড়াইলের দুটি আসনে ১২ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন o শাহজাদপুরে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

আজ সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  সারাদেশ  >  আজ রাজশাহী মুক্ত দিবস

আজ রাজশাহী মুক্ত দিবস

পাবলিশড : ২০১৭-১২-১৮ ১০:৩৮:২৬ এএম

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

১৮ ডিসেম্বর রাজশাহী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজশাহী পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল। দু’দিন আগে দেশ স্বাধীন হলেও রাজশাহীতে বিজয়ের পতাকা উড়েছিল আজকের এই দিনে।

অবরুদ্ধ মানুষ এদিন নেমে এসেছিল রাজশাহীর মুক্ত বাতাসে। হারানো স্বজনদের খুঁজতে তারা ছুটে গিয়েছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুজ্জোহা হলে। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল নির্যাতিত অনেকের মরদেহ।

রাজশাহীতে এবারই প্রথম বড় আয়োজনে দিনটিকে পালন করা হবে। এজন্য রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আজ বেলা ৩টায় এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম বড় পরিসরে এ সমাবেশের আয়োজন করেছে।

এর আগে খুব ছোট আকারে দিবসটি পালন করা হয়েছে। তবে স্বাধীনতা অর্জনের ৪৬ বছর পর সমাবেশ আকারে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে এবার রাজশাহী মুক্ত দিবস পালন করা হবে। ফলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজশাহীর স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারবেন।

একাত্তরের এই দিনে রাজশাহীকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন ৭ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সাব-সেক্টরের কমান্ডার মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (বীরবিক্রম)। মুক্তিযুদ্ধকালে রাজশাহী ছিল ৭ নম্বর সেক্টরের অধীন। সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক শহীদ হওয়ার পর এই ৭ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব নেন কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান (বীরউত্তম)।

নাট্যকার ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মলয় ভৌমিক জানান, ১৬ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শত্রুমুক্ত হয়। এরপর হানাদার বাহিনী এসে জড়ো হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা হলে। মুক্তিবাহিনী ১৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় রাজশাহী প্রবেশ করে। তখন রাস্তায় নেমে আসে হাজারো মানুষ।

এরপর ১৭ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি আর্মিরা গোপনে নাটোর গিয়ে ১৮ ডিসেম্বর সকালে আত্মসমর্পণ করেন। পাকিস্তানি আর্মিদের পলায়নের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হাজার হাজার মানুষ সেদিন রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সমবেত হন। তারা সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিয়ে বরন করে নেন।

মাদ্রাসা মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর কমান্ডার মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা তুলে রাজশাহীকে মুক্ত ঘোষণা করেন। তারপর কমান্ডার গিয়াস উদ্দিনকে এই অঞ্চল পরিচালনা জন্য প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয়।