o বেলকুচিতে ভূয়া ডাক্তার করছেন অপারেশনের মত কঠিন চিকিৎসা o তরুন গীতিকার প্রিন্স মিলনের নতুন গান তুমি দুঃখ দিলে o সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মাটি চাপায় শিশুর মৃত্যু o রোববার থেকে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে o ভারতের তুমুল জনপ্রিয় মালালা হঠাৎ ভিলেন কেন?

আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  খেলাধুলা  >  জয়টা প্রাপ্য ছিল আফগানদের

জয়টা প্রাপ্য ছিল আফগানদের

পাবলিশড : ২০১৯-০৯-০৯ ১৭:৫১:০৮ পিএম

।। স্পোর্টস ডেস্ক ।।

টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ দলের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক রশিদ খান। মাত্র ২০ বছর ৩৫০ দিন বয়সেই তার কাঁধে ওঠে একটা টেস্ট দলের ভার। লাল বলের ক্রিকেটে এই দেশটা মাত্র দুই ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়েই আসে বাংলাদেশে।

তাতেই কি-না এমন বাজিমাৎ করে বসল! ‘ঝড়ে বক মরে’ বলে একটা কথা থাকলেও পাঁচ দিনের ক্রিকেটে এই কথার কোনও ভিত্তি নেই বললেই হয়। তাই এই জয়টা আফগানিস্তানেরই প্রাপ্য ছিল। কেন না, চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন থেকেই ব্যাটে, বলে, ফিল্ডিংয়ে এগিয়ে ছিল তারা।

বাংলাদেশ যেখানে শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে, সেখানে শতভাগ সফল হয়েছে আফগানিস্তান। কী দেখায়নি তারা? সেঞ্চুরি, পাঁচ উইকেট, দশ উইকেট সবই করে দেখিয়েছে তারা।

প্রথম ইনিংসে রহমত শাহ’র করা ১০২ রানের ইনিংস লেখা থাকবে আফগান ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে। সেঞ্চুরির তালিকায় অল্পের জন্য নাম তোলা হয়নি আরেক সাবেক অধিনায়ক আসগর আফগানের। শতক থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতেই ফেরেন সাজঘরে।

রশিদ খানকে বাংলাদেশ চিনল নতুন করে। টাইগার ক্রিকেটের ভক্তদের একটা বড় অংশের কাছে রশিদ খান শুধুই মজার খোরাক। সেই রশিদ খান গড়ে দেখালেন ইতিহাস। সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে এক ইনিংসে অর্ধশতকসহ দুই ইনিংসেই ৫টির বেশি উইকেট নেয়া (মোট ১১টি)।

মাত্র তিন ম্যাচেই টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টেনে দিলেন দেশটির ক্রিকেটের পরিচায়ক মোহাম্মদ নবী। তার বিদায়টাও হলো রাজকীয়। ম্যাচ শেষে দলের সবার থেকে পেলেন গার্ড অব অনার! তার জন্য হলেও তো এই ম্যাচটা জিতেতে চেয়ে আফগানরা! সফলও হয়েছে শেষপর্যন্ত।

নবী কি সত্যিই ফুরিয়ে গেলেন? দুই ইনিংস মিলে ৪ উইকেট পাওয়া নবী তরুণদের সুযোগ করে দিতেই বিদায় বলে দিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটকে।

বাংলাদেশে অধিনায়ক এই ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই বলে আসছেন, এই উইকেটে পেসারদের জন্য না। সাকিবের কথাটা একেবারে ফেলে দেয়ারও না। কিন্তু বাংলাদেশ দলের স্পিনারদের কতটা কষ্ট করতে হয়েছে আফগানদের ২০ উইকেট নিতে। তাহলে স্পিনাররা কতটা কার্যকর ছিল সাকিব-তাইজুলদের ঘূর্ণি! যেখানে আফগানরা হেসে খেলে উইকেট নিয়েছে মুড়ি-মুটকির মতো।

অথচ এই উইকেট নাকি পেসারদের জন্য না কিন্তু আফগান পেসার ইয়ামিন আহমাদজি উইকেট নিয়ে দেখান প্রথম ইনিংসের প্রথম ওভারেই।

সব মিলে ব্যর্থ বাংলাদেশ এই ম্যাচটা ভুলে যেতে চাইবে খুব দ্রুত সময়েই। টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান তো ম্যাচ শেষে স্বীকারই করলেন, এই জয়টা আফগানদের প্রাপ্য। আমরাও চাই যত দ্রুত সম্ভব ভুলে যেতে এই ম্যাচটা।

কিন্তু ভুলে যেতে চাইলেই কি সব ভুলে যাওয়া যায়!