o অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে রাখছেন মিরাজ o রাজশাহীতে শিশুর যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে র‌্যালি ও মানববন্ধন o খল-অভিনেতা বাবর মৃত্যুবরণ করেছেন o তারকা ছাড়াই বেতিসের বিপক্ষে বার্সেলোনার জয় o সুলতান মনসুরের বঙ্গবন্ধু সাধনা

আজ সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  সারাদেশ  >  থানার মধ্যে নারীকে ধর্ষণ: ওসি-এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

থানার মধ্যে নারীকে ধর্ষণ: ওসি-এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

পাবলিশড : ২০১৯-০৮-১১ ০০:৫৮:০৯ এএম আপডেট : ২০১৯-০৮-১১ ০১:৪৮:২৩ এএম

।। ডেস্ক রিপোট ।।

খুলনা রেলওয়ে (জিআরপি) থানায় এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে ওই থানার সেই সময়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গনি পাঠান ও ডিউটি অফিসারসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে।

খুলনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালত-৩ এর নির্দেশে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে ওই মামলা করা হয়েছে। মামলা বাদী হয়েছেন ভুক্তভোগী সেই নারী। মামলার নথির সঙ্গে আদালতে দেওয়া ওই নারীর জবানবন্দীও সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই মামলা হয় বলে জানা গেছে।

খুলনা রেলওয়ে (জিআরপি) থানায় এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে ওই থানার সেই সময়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গনি পাঠান ও ডিউটি অফিসারসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে।

খুলনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালত-৩ এর নির্দেশে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে ওই মামলা করা হয়েছে। মামলা বাদী হয়েছেন ভুক্তভোগী সেই নারী। মামলার নথির সঙ্গে আদালতে দেওয়া ওই নারীর জবানবন্দীও সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই মামলা হয় বলে জানা গেছে।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দীতে ওই নারী বলেছেন, থানা হেফাজতে থাকার সময় রাত অনুমান দেড়টার দিকে থানার ডিউটি অফিসার তাঁকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন ওসি উছমান বসে আছেন। এসময় ডিউটি অফিসার তাঁর মুখের মধ্যে ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলেন, যেন চিৎকার করতে না পারেন। ওই কক্ষে দেড় ঘন্টা আটকে রেখে তিনবার ধর্ষণ করেন ওসি। পরে ডিউটি অফিসার ও তিন পুলিশ সদস্য ধর্ষণ করেন।

ভুক্তভোগী ওই নারীর বক্তব্য নিজ হাতে টাইপ করেছেন খুলনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালত-৩ এর বিচারক মো. সাইফুজ্জামান। আর ওই স্বীকারোক্তি নিজে পড়ে ও শুনে তাতে স্বাক্ষর করেন ওই নারী।

রেলওয়ে পুলিশের কুষ্টিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ বলেন, ওসি উছমান গনি, ঘটনার রাতের ডিউটি অফিসার ও অজ্ঞাত তিনজন পুলিশ সদস্যকে আসামি করে ওই নারী মামলা করেছেন। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে ২০১৩ সালের নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে ১৫ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। ১৫ ধারা হচ্ছে হেফাজতে থাকা ব্যক্তিকে নির্যাতন করার অপরাধ।