o অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে রাখছেন মিরাজ o রাজশাহীতে শিশুর যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে র‌্যালি ও মানববন্ধন o খল-অভিনেতা বাবর মৃত্যুবরণ করেছেন o তারকা ছাড়াই বেতিসের বিপক্ষে বার্সেলোনার জয় o সুলতান মনসুরের বঙ্গবন্ধু সাধনা

আজ সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  জীবনযাত্রা  >  আপনি দিনের শুরুটা করবেন যেভাবে

আপনি দিনের শুরুটা করবেন যেভাবে

পাবলিশড : ২০১৯-০৮-০৩ ১৮:১৯:১৫ পিএম

।। ডেস্ক রিপোর্ট ।।

মানুষ জীবন-মৃত্যুর মাঝামাঝিতে অবস্থান করে। মানুষ তার শেষ নিঃম্বাস যে কখন ত্যাগ করবে, সেটা কেউ বলতে পারে না। তাই প্রতিটা দিনই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও মহান আল্লাহর প্রশংসনীয়। দিন পেরিয়ে রাত হয় আবার রাত পেরিয়ে দিন হয়। এটা আমরা সবাই জানি। রাত পেরিয়ে যখন দিন হয় তখন আমরা অনুভব করতে পারি আরেকটি দিন আমাদের জীবনে উপভোগ করার সুযোগ এলা। সারা দিন অনেক ব্যস্ত থাকতে হয় আমাদের। তাই দিনের শুরুটা হোক সবচেয়ে সুন্দর করে। যেন সকালের প্রভাব পুরো দিন আমাদের ভাল রাখতে সহায়তা করে ও সততার সহিত কর্মক্ষম রাখে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিনের শুরুটা কিভাবে হওয়া উচিৎ।

প্রার্থনাঃ স্নিগ্ধ একটি সকালের শুরু যদি যার যার ধর্মের প্রর্থনার মাধ্যমে হয় তাহেলে দেখবেন মন অনেক বেশি শান্ত থাকে। ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে, নিজের ধর্মের প্রার্থনা দিয়ে দিন শুরু করুন। এতে মানসিক শান্তি যেমন পাবেন, অস্থিরতা ও উদ্বেগ দূর হবে। শারীরিক উপকারিতাও কিন্তু কম নয়। আর এজন্য প্রয়োজন ইচ্ছা ও মাত্র কয়েক মিনিট সময়। 

ব্যায়ামঃ প্রতিদিন সাধারণত আমরা যে সময়ে ঘুম থেকে উঠে কাজ শুরু করি ব্যায়াম করার জন্য একটি ঘণ্টা তো দূরের কথা বিশ মিনিটের সময় বের করাও কঠিন। কিন্তু আমরা যদি সকাল ৬টা থেকে দিন শুরু করি তবে দেখুন কত সময়। চাইলে ব্যায়াম করতে পারেন। হাঁটা বা ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ আর ইয়োগা যে কোনটি করতে পারেন। আবার ঘরের টুকিটাকি কাজ করলেও কিন্তু আমাদের ওয়ার্ক আউটটা হয়ে যায়। যেমন বিছানা গোছান, ফার্নিচার মোছা, মেঝে পরিষ্কার, করতে পারেন যে কোনটি।

স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্টঃ কোন সন্দেহ নেই সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। কিন্তু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠায় আমাদের অনেকেরই সকালে নাস্তা না করে কাজে দৌঁড়াতে হয়। আর কাজের চাপে অনেক দিনই নাস্তা করার সময় হয় না। রাতের পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকায় আমাদের শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্যই নিয়মিত সকালে ওঠার অভ্যাস করতে হবে এবং সকাল আটটার মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাহিরে যেতে হবে। রুটি, সবজি, ডিম, যে কোন একটি ফল আর চা হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাস্তা। তবে ভিন্নতা আনতে মাঝে মাঝে দুধ দিয়ে কর্নফ্লেক্স বা সবজি খিচুড়িও খাওয়া যায়। 

কাজের তালিকাঃ অনেক সময় খুব জরুরি কারণে কাউকে ফোন করতে হবে। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনে আর হয়ত মনেই থাকে না। তাই সারা দিনের জন্য কাজের পরিকল্পনা করে নিন। একটি ডায়েরিতে জরুরি তালিকা করে রাখলে কাজ করা সহজ হবে। আর কাজের চাপে কোন কিছু ভুলে গেলেও লেখা থাকলে কাজ মিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ও আরেকটি বিষয়, আমরা শুধু কাজের তালিকার কথা বলি। কিন্তু কাজের ফাঁকে যে বিশ্রাম নিতে হবে তাও লিখে রাখুন। 

সময় নিয়ে তৈরিঃ আমরা তাড়াহুড়ো করে অফিস বা ক্লাস ধরতে হলে অনেক সময় যেকোন ভাবেই দৌঁড়ে দিয়ে চলে যাই। কিন্তু সকালে একটু আগে উঠতে পারলে প্রয়োজন মত তৈরি হওয়ার সময় পাওয়া যায়। যেমন অফিসে জরুরি মিটিং-এ বাইরের কোন অফিসের কর্মকর্তা আসবে। আপনি যেখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করছেন সেখানে সাজ পোশাকটা তো তেমনই হওয়া চাই। তাই তৈরি হওয়ার জন্য নিয়মিত হাতে অন্তত কিছুটা সময় রেখে বিছানা থেকে উঠে পড়ুন।

আধা লিটার পানিঃ এটা আবার এমন কি জরুরি কাজ, তাই ভাবছেন? কিন্তু প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে নিয়ম করে অন্তত আধা লিটার পানি পান করুন। কারণ আমাদের ত্বক এবং শরীর সব কিছুর সুস্থতার জন্যই পানি অপরিহার্য।