o অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে রাখছেন মিরাজ o রাজশাহীতে শিশুর যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে র‌্যালি ও মানববন্ধন o খল-অভিনেতা বাবর মৃত্যুবরণ করেছেন o তারকা ছাড়াই বেতিসের বিপক্ষে বার্সেলোনার জয় o সুলতান মনসুরের বঙ্গবন্ধু সাধনা

আজ সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  জীবনযাত্রা  >  অসাধারণ বাবা হবার সাধারণ উপায়

অসাধারণ বাবা হবার সাধারণ উপায়

পাবলিশড : ২০১৯-০৬-২৭ ১৩:৪৪:৩৩ পিএম আপডেট : ২০১৯-০৬-২৭ ১৭:০৫:৫৭ পিএম

।। জীবনযাত্রা ডেস্ক ।।

‘ভালবাসা’ শব্দটি এমন একটি শব্দ পৃথিবীতে যা দিয়ে জয় করা যায় না এমন কোন বিষয় থাকে না। সেটি যদি হয় বাবা, মা আর সন্তানের মাঝে তাহলে সেখানে অসম্ভব কোন কিছু শব্দ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা। এরপরেও অনেক বাবা তার সন্তানের কাছে অসাধারণ হয়ে উঠতে পারেনা বিভিন্ন কারণে। আমাদের আজকের এই নির্দেশনা সে বাবাদের জন্য- যারা চেষ্ঠা করেও- সন্তানের কাছে অসাধারণ হয়ে উঠতে পারেনি। দেখে নিন অসাধারণ বাবা হওয়ার জন্য এমন কিছু উপায় যা আপনাকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট এন দেবে।

● সন্তানের অনেক কিছুই ভুলিয়ে দিতে সন্তানদের প্রিয় খাবার কাজ করে। তাই সন্তানের প্রিয় খাবার সম্পর্কে জেনে সেটা খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

● কাজের ফাঁকে যতটুকু পারেন সন্তানকে সময় দিন। কারণ সন্তান বড় হয়ে পিতার সাথে সময় কাটাতে তার ভালো নাও লাগতে পারে। আর বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে ভাল লাগানোর জন্য তাকে সময় দিয়ে এখন তা বুঝিয়ে দিন ।

● সন্তানকে সব সময় বলতে হবে তুমি সুন্দর, তুমিই শ্রেষ্ঠ- তা না হলে অন্যরাই তার কাছে সুন্দর ও শ্রেষ্ঠত্ব হয়ে উঠতে পারে।

● শিশু বয়সে সন্তানকে নিজের কোলে তুলে ঘোরান। তাহলে এই স্মৃতি সে আজীবন মনে রাখবে।

● সন্তানের প্রতিটি জন্মদিন পালন করবেন। জন্মদিনের গিফট কি হবে এটা বড় কথা নয় কারণ গিফটের কথা এক বা ততদিক বছর পরে ভুলে যেতে পারে, কিন্তু জন্মদিনের উৎসব পালনের কথা কখনই ভুলবে না।

● সন্তানের সাথে যতটা সম্ভব সময় বেশি বেশি ব্যয় করার জন্য চেষ্টা করবেন। এতে সন্তানের একান্তবোধ কমবে এবং আগামীতে তার সৃজনশীল কাজে নিজেকে সামিল করতে চেষ্টা করবে।

● সন্তানের প্রতিটি সময়ের ছবি ক্যামেরা বন্দি করে রাখুন। আজ শিশু- কাল অবশ্যই স্কুলে যাবে, পড়শু কলেজে এভাবে সে প্রতিনিয়ত বদলাবে। তাই তার প্রত্যেক সময়ের স্মৃতি ধারণ করে দেখালে সে আপনার উপর খুশি থাকবে।

● সন্তানকে সব সময় বিশ্বাস করবেন এবং তাদের বড় হওয়ার সাথে সাথে স্বাধীনতার দিকটাও বাড়িয়ে দিন কারণ একবারে স্বাধীনতা পাওয়ার থেকে আস্তে আস্তে স্বাধীনতা পাওয়া ভালো। কারণ সন্তান আপনার মত চিন্তা ভাবনা নাও করতে পারে।

● সন্তানকে সব সময় উৎসাহিত করবেন এবং যেকোন বিপদের সম্মুখে ঢাল হয়ে দাঁড়াবেন আপনি।

● বাবার স্নেহের হাত সন্তানের সারা জীবনের চাওয়া, এই কথা কখনই ভুলবেন না।

● সন্তান ভয় পেলে আপনার কাছেই আসবে, কিভাবে ভয় কাটাবেন সেদিকে আপনার লক্ষ্য রাখতে হবে। খেয়াল করুণ আপনিই তার প্রথম অবলম্বন।

● সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে আপনি তার সাথে হাসি ঠাট্রা ও বেশি বেশি মজা উপভোগ করবেন।

● সন্তানকে মুক্ত পরিবেশে খেলতে, চলতে ও সম-বয়সীদের সাথে মিশতে দিতে হবে।

● সন্তান নতুন কিছু শিখতে চাইলে তার সাথে থাকুন আর বার বার তার ভুল নির্ধারণের মাধ্যমে হেসে হেসে সমাধান করতে হবে। এতে সে নতুন কিছু করার সাহস পাবে।

● বাড়ীতে অথবা বাহিরে আপনার সমস্ত ভাল কাজের সাথে আপনার সন্তানকে সম্পৃক্ত রাখুন যেন সেও এ সকল কাজে আগামীর জন্য অনুপ্রেরণা পায় এবং শেখে।

● সন্তানের সাথে খেলাধূলা বা নাচতে পারেন। এতে সে আপনাকে সারা জীবন বন্ধুর মত পাবে। আর শরীরের ব্যায়ামের একটি পদ্ধতিও তার মধ্যে ধারণ হবে।

● সন্তানের পোষাক নিজের সাথে মিলিয়ে নিয়ে পরবেন, এমনকি জুতাও। বড় হয়ে বৃদ্ধ বাবার সাথে যেন সেও পোষাক মিলিয়ে পরতে সাচ্ছন্দ বোধ করে।

● সন্তান ছোট থাকা অবস্থায় তার সাথে জোঁকস ও দুষ্টুমি করুন।

● সন্তানের সব কিছুর দিকে খেয়াল রাখুন। তার প্রতিটি পদক্ষেপের দিকে দৃষ্টি রাখুন। যদি কোন ভুল করতে বসে বকাবকি না করে সুন্দর করে বুঝিয়ে ভুল ভাঙ্গুন।

● সন্তান কোন কিছু দাবি করলে তাকে কখনই নেই, হবে না অথবা পারব না বলা যাবে না। এতে তার চেতনা প্রসারিত হবে না বরং অন্যভাবে কোন কিছু দিয়ে ম্যানেজ করুন।