o নরওয়েজিয়ান ক্লাবে যোগ দিলেন মেসি o বহিরাগতদের হাতে ক্যাম্পাসেই ছাত্রী লাঞ্ছিত o ইমার্জিং দলের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন সাইফ o শাহজাদপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দু‘পক্ষের সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ২ o রাজশাহীতে ৪ দফা দাবিতে ডাক কর্মচারীদের মানববন্ধন

আজ শনিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  খাগড়াছড়ি  >  খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সাপমারার বাসিন্দারা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সাপমারার বাসিন্দারা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত

পাবলিশড : ২০১৯-০৬-১১ ১৬:১২:০৯ পিএম আপডেট : ২০১৯-০৬-১২ ২১:৪৭:৫২ পিএম

।। দহেন বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি ।।

খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্গম পশ্চাৎপদ সাপমারা গ্রামে রয়েছে প্রায় ৪০টি পরিবার আর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় । এই ৪০টি পরিবার এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খাওয়ার ও দৈনন্দিন পানির ভরসা ছড়ার পানি। বর্তমানে ছড়ার পানিও শুকিয়ে যাওয়ায় আর হঠাৎ কালো রঙের পানি হওয়ায় পানির চরম ভোগান্তি। এতে অসুস্থ হচ্ছে গ্রামের লোকজন। মাটিরাঙ্গ সদর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে সাপমারা গ্রাম। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে সরকার টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেছে সেখানে সাপমারাবাসী বিশুদ্ধ পানির জন্য ব্যবহার করছে ছড়ার পানি। সেটিও বর্তমানে বর্ষা মৌসুম হওয়ায় গত কয়েক বছর আগে মাটিরাঙ্গা পৌরসভা থেকে আবর্জনা সেই ছড়ার উপর দিকে ময়লা ফেলায় তা আসতে আসতে করে মাটির সাথে পানিতে মিশিয়ে পানির রং করেছে কয়লার পানির মতো। আর সেই কয়লার পানি ব্যবহার করেছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীর সকলে।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানায়, আমরা ছড়ার পানিকে বিশুদ্ধ পানি হিসেবে ব্যবহার করে আসলেও কয়েক দিনে হঠাৎ কালো রঙ্গের এবং ঘোলাটে পানি হওয়ায় এলাকাবাসীর প্রতি আশঙ্কা রয়ে যায়। ফলে গ্রামের লোকজন প্রায় সময় ম্যালেরিয়া, জন্ডিস, ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যায় আক্রান্ত থাকে। সাপমারা গ্রামের বাসিন্দা ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ মাটিরাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি কান্ত মনি ত্রিপুরা বলেন, গ্রামের বেশির ভাগ পরিবার গরিব ও দিনমজুর। গভীর নলকূপ বা রিংওয়েল বসানো কারো পক্ষে সম্ভব না।

সাপমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ত্রিপুরা বলেন, গ্রামবাসী এবং বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত। শিক্ষকরা নিজ নিজ বাড়ী থেকে পানি নিয়ে যায়। আর শিক্ষার্থীদের জন্য কূয়ার পানি বা ছড়ার পানি কে ফিল্টারে রেখে ট্যাবলেট দিয়ে ব্যবহার করা। সেই সব পানি খেয়ে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শ্রেণী কক্ষে উপস্থিতি হার কম হয়। যদি উবর্ধন কর্তৃপক্ষ সেটিকে বিবেচনা করে পাড়াবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পানি ব্যবস্থা করে দিলে পানি সমস্যা দূর হবে।

মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সকল নলকূপ দেওয়া হয়ে থাকে। সাপমারা গ্রামে নলকূপ বসাতে হলে মেশিনের সাহায্যে পাথর কেটে বসাতে হবে এটি অনেক ব্যয়বহুল যা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে সম্ভব নয়।

খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলায় বেশিরভাগ এলাকায় পাথর হওয়ার কারণে নলকূপ বসানো সম্ভব হচ্ছে না। আগেও সাপমারাতে একটি রিংওয়েল তৈরী করা হয়েছে। তবে যেসব এলাকায় পানির জন্য সমস্যা পাওয়া যাচ্ছে সেখানে কি ব্যবস্থা করা যায় তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্গম পশ্চাৎপদ সাপমারা গ্রামে রয়েছে প্রায় ৪০টি পরিবার আর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় । এই ৪০টি পরিবার এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খাওয়ার ও দৈনন্দিন পানির ভরসা ছড়ার পানি। বর্তমানে ছড়ার পানিও শুকিয়ে যাওয়ায় আর হঠাৎ কালো রঙের পানি হওয়ায় পানির চরম ভোগান্তি। এতে অসুস্থ হচ্ছে গ্রামের লোকজন। মাটিরাঙ্গ সদর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে সাপমারা গ্রাম। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে সরকার টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেছে সেখানে সাপমারাবাসী বিশুদ্ধ পানির জন্য ব্যবহার করছে ছড়ার পানি। সেটিও বর্তমানে বর্ষা মৌসুম হওয়ায় গত কয়েক বছর আগে মাটিরাঙ্গা পৌরসভা থেকে আবর্জনা সেই ছড়ার উপর দিকে ময়লা ফেলায় তা আসতে আসতে করে মাটির সাথে পানিতে মিশিয়ে পানির রং করেছে কয়লার পানির মতো। আর সেই কয়লার পানি ব্যবহার করেছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীর সকলে।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানায়, আমরা ছড়ার পানিকে বিশুদ্ধ পানি হিসেবে ব্যবহার করে আসলেও কয়েক দিনে হঠাৎ কালো রঙ্গের এবং ঘোলাটে পানি হওয়ায় এলাকাবাসীর প্রতি আশঙ্কা রয়ে যায়। ফলে গ্রামের লোকজন প্রায় সময় ম্যালেরিয়া, জন্ডিস, ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যায় আক্রান্ত থাকে। সাপমারা গ্রামের বাসিন্দা ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ মাটিরাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি কান্ত মনি ত্রিপুরা বলেন, গ্রামের বেশির ভাগ পরিবার গরিব ও দিনমজুর। গভীর নলকূপ বা রিংওয়েল বসানো কারো পক্ষে সম্ভব না।

সাপমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ত্রিপুরা বলেন, গ্রামবাসী এবং বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত। শিক্ষকরা নিজ নিজ বাড়ী থেকে পানি নিয়ে যায়। আর শিক্ষার্থীদের জন্য কূয়ার পানি বা ছড়ার পানি কে ফিল্টারে রেখে ট্যাবলেট দিয়ে ব্যবহার করা। সেই সব পানি খেয়ে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শ্রেণী কক্ষে উপস্থিতি হার কম হয়। যদি উবর্ধন কর্তৃপক্ষ সেটিকে বিবেচনা করে পাড়াবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পানি ব্যবস্থা করে দিলে পানি সমস্যা দূর হবে।

মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সকল নলকূপ দেওয়া হয়ে থাকে। সাপমারা গ্রামে নলকূপ বসাতে হলে মেশিনের সাহায্যে পাথর কেটে বসাতে হবে এটি অনেক ব্যয়বহুল যা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে সম্ভব নয়।

খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলায় বেশিরভাগ এলাকায় পাথর হওয়ার কারণে নলকূপ বসানো সম্ভব হচ্ছে না। আগেও সাপমারাতে একটি রিংওয়েল তৈরী করা হয়েছে। তবে যেসব এলাকায় পানির জন্য সমস্যা পাওয়া যাচ্ছে সেখানে কি ব্যবস্থা করা যায় তা ভেবে দেখা হচ্ছে।