o সশস্ত্র বাহিনী দিবসে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা o স্কাইপ বন্ধ করা হয়নি : বিটিআরসি চেয়ারম্যান o নড়াইলে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে বিক্রি o পীরগঞ্জে শীতকালীন তরমুজের ভাল দামে কৃষকের মুখে হাসি o রামগড়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

আজ বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  ধর্ম  >  বৌদ্ধ ধর্মে প্রবারনার তাৎপর্য্য

বৌদ্ধ ধর্মে প্রবারনার তাৎপর্য্য

পাবলিশড : ২০১৮-১০-১৫ ১৭:০৮:১৫ পিএম

।। বুদ্ধানন্দ ভিক্ষু , আবুরখীল শান্তিময় বিহার ।।

আর কদিন পর বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব । যেদিন আকাশে উড়ানো হয় ফানুষ । আশ্বিনী পূর্নিমার অন্য নাম প্রবারনা পূর্নিমা। প্রবারনা শব্দের অর্থ - আশার তৃপ্তি, অভিলাষ পূরন, শিক্ষা সমাপ্তি বুঝায়।প্রবারন হচ্ছে প্রকৃষ্ট রুপে বারন বা প্রকৃষ্ট রুপে বরনকে বুঝায়। তথাগত বুদ্ধ যখন শ্রাবস্তীতে অবস্হান করছিলেন, তখন কুশল হতে একদল ভিক্ষু বর্ষাবাস শেষে বুদ্ধের নিকট উপস্হিত হন। বুদ্ধ তাঁদেরকে কিরুপে বর্ষাবাস উদযাপন করেছেন জিজ্ঞেস করলেতাঁরা প্রত্যুত্তরে বলেন যে, তাঁরা পরস্পরের মধ্যে বিবাদ বিসংবাদ এড়াবার উদ্দেশ্যে মৌনভাব অবলম্বন করে সময় অতিবাহিত করেন। বর্ষাবাস শেষে তাঁরা কারও সাথে কোন কথা না বলেই বুদ্ধকে দর্শন করতে চলে অাসেন। ভিক্ষুদের এরুপ কথা শুনে বুদ্ধ ভিক্ষুদেরকে মৃদু তিরস্কার করেন এবং বলেন, ভিক্ষুগন তোমাদের এরুপ আচরন প্রশংসাযোগ্য নহে। ভিক্ষুসংঘ একসাথে বাস করলে বহু বাদ-বিসংবাদ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বর্ষাবাস সমাপ্তির পর তোমরা একত্রিত হয়ে প্রবারনা করবে। পরস্পর পরস্পরে দোষত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং পরস্পরকে সত্যিকার ভাবে বরন করে নেবে। তোমার যেমন দোষত্রটি থাকা অস্বাভাবিক নহে, তেমনি অন্যের দোষত্র্রুটি থাকাও স্বাভাবিক। পরস্পর পরস্পরকে অনুশাসন করলে অথবা বারন করলে উভয়েরই মঙ্গল সাধিত হয়, শাসন পরিশুদ্ধ হয়। এরফলে সমগ্র ভিক্ষুসংঘের উপকার সাধিত হয়। এরপর থেকে তথাগত বুদ্ধ ভিক্ষুসংঘকে অাহ্বান করে বাধ্যতামূলক প্রবারনার প্রবর্তন করেন।

উল্লেখ্য প্রবারনার এই নির্দেশ ভিক্ষু -উল্লেখ্য প্রবারনার এই নির্দেশ ভিক্ষু - গৃহী (যাঁরা তিনমাস দান-শীল- ভাবনায় রত ছিলেন) উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।

"জগতের সকল প্রানী সুখী হোক"।

"আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে

আসেনি কেহ অবনীপরে,

সকলের তরে সকলে আমরা

প্রত্যকে আমরা পরের তরে"।