o সশস্ত্র বাহিনী দিবসে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা o স্কাইপ বন্ধ করা হয়নি : বিটিআরসি চেয়ারম্যান o নড়াইলে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে বিক্রি o পীরগঞ্জে শীতকালীন তরমুজের ভাল দামে কৃষকের মুখে হাসি o রামগড়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

আজ বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ |

আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  মতামত  >  বিকল্প নয়, সোশ্যাল মিডিয়া মূলধারার গণমাধ্যমের সমান্তরাল

বিকল্প নয়, সোশ্যাল মিডিয়া মূলধারার গণমাধ্যমের সমান্তরাল

পাবলিশড : ২০১৮-১০-০২ ১৬:১৯:১০ পিএম

।। মাজহারুল ইসলাম লালন ।।

বর্তমান সময়ে পৃথিবীকে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে যে প্রযুক্তি তার নাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া। এই সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের পুরোনো সেই দিন গুলোর কথা ভুলিয়ে দিয়েছে, যে দিন আমরা চাইলেই আমাদের প্রিয় জনের খোজ নিতে পারতাম না।
আজ আমাদের সেই সব দিন গুলো আর নেই। মানুষ সেই দিন গুলোকে মনেও করে না খুব একটা কারণ নিত্য নতুন প্রযুক্তি আমাদের সব কিছু কেই আপন করে দিয়েছে।
তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোস্যাল মিডিয়া হয়ে উঠছে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম।

সোশ্যাল মিডিয়া মূল ধারার গণমাধ্যমের চেয়ে কতোটুকু শক্তিশালী তা বলার সময় আসেনি বা বলতে গেলে আরো তত্ত্ব ও তথ্যবহুল আলোচনা সমালোচনার প্রয়োজন।
তবে এধরনের প্রশ্নের জবাবে সোস্যাল মিডিয়া নিয়ে কিছু বিশ্লেষণাত্মক তথ্য উপস্থাপন প্রয়োজন।
সারা বিশ্বেই এখন সোশ্যাল মিডিয়া শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে নানা দেশে এমনকি প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও এটি বড় প্লাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া কি মূল ধারার গণমাধ্যমের সমান্তরাল কিংবা বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে?
এবিষয়ে অনেক বিশেষজ্ঞদের অভিমত-
"সোশ্যাল মিডিয়া বিকল্প ধারা হিসেবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু এটা বিকল্প মাধ্যম হিসেবে বিকশিত হচ্ছে নাকি গণমাধ্যমের সমান্তরাল হচ্ছে -এটা বলার জন্য কিছু সময় প্রয়োজন। তবে এর কাঠামো বিকল্প ধারার"।

সোশ্যাল মিডিয়া শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম হওয়ার পিছনে কিছু যৌক্তিক কারন আছে।
আমাদের গতানুগতিক ধারার সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সাধারণ জনগণকে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।এখানে মত প্রকাশের কোনো সুযোগ থাকে না।একপক্ষ বলে যাচ্ছেন,সত্য মিথ্যা যা কিছুই হোক সাধারন মানুষকে সেটা দেখ যেতে হচ্ছে এবং শুনেই যেতে হচ্ছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এরকম একতরফা গেলানো পদ্ধতিটি থাকছে না।
এখানে মত প্রকাশের সুযোগ আছে।
সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নিম্নশ্রেনী পর্যন্ত দেশের সকল নাগরিক যে কোনো তথ্য কিংবা সংবাদের সত্য-মিথ্যার বৈধতা বিষয়ে মতামত প্রকাশ করতে পারছে।ফলে কখনও কখনও খুব অল্প সময়ে পুরো সিস্টেমটাকে নাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।
এতে করে এক তরফা সংবাদ পরিবেশনের শোষণ হতে সাধারণ জনতা মুক্তি পাচ্ছে।
ফলে সংবাদ মাধ্যম হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া আপামোর জনসাধারণের নিকট জনপ্রিয় ও শক্তিশালী হয়ে উঠছে ক্রমশই।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ার এমন উত্থানে বাংলাদেশের মূল ধারার গণমাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, টেলিভিশন , রেডিও ক্ষতিগ্রস্ত হবার কোনও সম্ভাবনা নেই।
"কারণ এই মাধ্যমের সঙ্গে প্রযুক্তি জড়িত। ক্ষতিগ্রস্ত হবে না মনে হবার কারণ হলো এখানে হয়তো প্ল্যাটফর্ম পাল্টাচ্ছে, হয়তো ফরম্যাট পাল্টাতে হচ্ছে। কিন্তু সংবাদতো আর পাল্টাচ্ছে না।
"সংবাদ পরিবেশনের যে রীতি, ভালো সাংবাদিকতার যে চাহিদা তা বাংলাদেশে রয়েই যাচ্ছে। বাংলাদেশের সমাজে-রাজনীতি-অর্থনীতি-সংস্কৃতিতে চাহিদাগুলো থেকে যাচ্ছে।"

সুতরাং আমি মূলধারার গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে মুখোমুখী তথা বিপরীতে দাঁড় করানোর পক্ষপাতী নই।আমি এই দুটো মাধ্যমকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে দেখি।

তবে আমার বিশ্লেষণে দুটো মাধ্যমেরই কিছু সীমাবদ্ধতা বা নেতিবাচক দিক রয়েছে।
যেমন সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে সত্য ঘটনার পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য দেওয়া, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, উস্কানিমূলক লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকে। দায়িত্বশীলতা ও নৈতিকতার অভাবে নাগরিকরা একে অপরের নামে মিথ্যাচার করছে। বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করছে।
ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে মতপ্রকাশের যে স্বাধীনতা রয়েছে; তা অনেকটা ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।ফলে অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া জনগণের নিকট গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে।

আর অন্যদিকে মূলধারার গণমাধ্যমে একজন সংবাদকর্মীর চাইলেই নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী কোনো বিষয়ে মতপ্রকাশ করার সুযোগ থাকে না। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় একজন সাংবাদিককে। তাছাড়া অনেক সময় এই মাধ্যমের পক্ষে সম্ভব হয় না সমাজের সব মানুষের কথা বলা। যে তথ্যই হোক, তাকে একটি নির্দিষ্ট সম্পাদনা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ দর্শক, শ্রোতা ও পাঠকের কাছে প্রকাশ করতে হয়। তথ্যে অনুভূতিতে আঘাত করবে বা উস্কানিমূলক এমন কিছু থাকলে, সেই তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ থাকে এই মাধ্যমে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন সুযোগ না থাকায় মূল ধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে বিকল্প গণমাধ্যমের পার্থক্য থেকেই যায়।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে মূলধারার গণমাধ্যমকে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক কিংবা ক্ষমতাসীনদের প্রভাবে অনেক সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপন সম্ভব হয়ে ওঠে না।
ফলে নিজেদের অজান্তেই পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থেকে যায় এসব সংবাদকর্মীরা।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে যে কোনো তথ্য কিংবা সংবাদ উপস্থাপনে সক্ষম।এবং উক্ত সংবাদ বা ঘটনা সাধারণ মানুষের আলোচনা ও সমালোচনাে মাধ্যমে এর সত্যতা নিরূপণ করে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।
দেশে সংগঠিত নানা অসংগতি,সকলশ্রেণী পেশার মানুষদের দাবি ও ন্যায্য অধিকার,বিদ্যমান শাসক ও শোষকের নিপীড়ন নির্যাতনের বাস্তব চিত্র উপস্থাপনে সোশ্যাল মিডিয়া মূলধারার সংবাদমাধ্যম হতে অধিকতর পারদর্শী ও শক্তিশালী।

আমরা ইতিপূর্বে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা হতে বিষয়টি লক্ষ্য করতে পারি।
সিলেটে শিশু রাজন হত্যার ভিডিওটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে আসে এবং উক্ত অমানবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সারাদেশের মানুষ সোচ্চার প্রতিবাদ গড়ে তুলে এবং প্রশাসন তথা সরকার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।
এরকম আরো কিছু ঘটনা সম্প্রতি সময়ে আমরা দেখতে পাই যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা সোশ্যাল মিডিয়া'র মাধ্যমে ন্যায়ের আলো দেখতে সক্ষম হয়।

ইতিমধ্যে ছাত্র আন্দোলন সহ আরো কয়েকটি আন্দোলন সফলতায় রূপ নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আশীর্বাদে।অবশ্যই এতে পরবর্তীতে মূল ধারার সংবাদমাধ্যমের ভূমিকাও লক্ষণীয়।তবে শুরুটা সোশ্যাল মিডিয়ার আশীর্বাদতুষ্ট।

সাম্প্রতিক সময়ে তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়া প্রভৃতি উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে শাসকদের স্বৈরতান্ত্রিক নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের যে গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল, সেখানে মানুষের প্রতিবাদ প্রকাশে অত্যন্ত কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। মূলধারার গণমাধ্যমের বিষয়বস্তু শাসকরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর মাধ্যমে বহু প্রতিবাদী মানুষের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ এবং বক্তব্য প্রকাশ বন্ধ করা রাষ্ট্রের জন্য কখনোই সহজ হয়নি। ভার্চুয়াল জগতে এমন যোগাযোগ এবং স্বাধীনভাবে সমালোচনা আর প্রতিবাদ প্রকাশের সুযোগ এই দেশগুলোর রাজপথে মানুষের সরাসরি আন্দোলন তীব্রতর করেছে। তিউনিসিয়ায় একজন দরিদ্র ফল বিক্রেতা মোহাম্মদ বোয়াজিজি তাঁর প্রতি কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার অন্যায় আচরণ আর অবহেলায় অপমানিত হয়ে নিজের শরীরে আগুন জ্বালিয়ে আত্মহননের পর যে সরকারবিরোধী আন্দোলন সেখানে সূচিত হয়, তার প্রচণ্ডতায় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বেন আলির ২৩ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। তিউনিসিয়ায় সেই আন্দোলনে আন্দোলনকারীরা নিজেদের প্রতিবাদ প্রকাশের জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেছিলেন ব্যাপকভাবে।

বাংলাদেশেও বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকরা বর্তমান সময়ে সক্রিয়ভাবে প্রকাশ করছেন তাঁদের মতামত আর চিন্তা। অনেকে মূলধারার গণমাধ্যমে লেখালেখি না করে, বরং বিভিন্ন ব্লগ, ফেসবুক বা ইউটিউবের মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করতেই বেশি আগ্রহ বোধ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে ইতিবাচক ঘটনা যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অভাবনীয় সাফল্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন আমরা লক্ষ করেছি বহু মানুষের উচ্ছ্বাস, তেমনি একের পর এক হত্যাকাণ্ড, পয়লা বৈশাখে নারীদের যৌন হয়রানি করা, মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলার সময় একজন মা আর তাঁর গর্ভে থাকা সন্তান গুলিবিদ্ধ হওয়া প্রভৃতি নিন্দনীয় ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে আমরা লক্ষ করেছি বহু মানুষের তীব্র সমালোচনা আর ক্ষোভ।
ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে মানুষ আজ বিভিন্ন অন্যায় এবং অন্যায় দমন করতে ব্যর্থতার সমালোচনায় মুখর হচ্ছে।

মূলধারার গণমাধ্যমে অনেক মানুষের ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ নেই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় অন্যায় দেখে ক্ষুব্ধ মানুষ সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের প্রতিক্রিয়া আর নিন্দা প্রকাশ করতে পারছে। এই সক্ষমতার কারণে সাধারণ মানুষ গণমাধ্যম দর্শক হিসেবে আজ আর নিষ্ক্রিয় এবং জড় নয়। কোনো অন্যায় ঘটলে তা নিয়ে তুমুল আলোচনা আমরা দেখতে পাচ্ছি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দৃশ্যমান হচ্ছে বহু মানুষের প্রতিবাদী বক্তব্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো বিষয়ে বহু মানুষের বক্তব্য উঠে আসার কারণে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়, ফলে মানুষ সক্রিয়ভাবে একটি বক্তব্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তা গ্রহণ বা বর্জন করে।
প্রশ্ন এবং বিশ্লেষণ করার এই আগ্রহ থেকেই সৃষ্টি হয় নিষ্ক্রিয়তা, অন্ধতা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মানসিকতা।
ব্যক্তি তার নিজস্ব চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটাতে পারেন এই সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ফলে তাকে আর দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
ঘৃণ্য রাজনীতির বদ্ধ কারাগারের ব্যক্তি আবদ্ধ হতে নারাজ এখন।ন্যায় অন্যায় বিচার বিশ্লেষণ করে মত প্রকাশের সুযোগ থাকায় প্রতিটি ব্যক্তি হয়ে ওঠেন একটি দেশের সচেতন দায়িত্বশীল নাগরিক।
এক্ষেত্রে বিবেচনা করলে দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়া মূলধারার গণমাধ্যম হতে অধিকতর ফলপ্রসূ।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনৈতিক ব্যবহারে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও সার্বিকভাবে এটা আমজনতার বাক স্বাধীনতার বাহক।
মূলধারার গণমাধ্যম যেখানে আড়ষ্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সেখানে উন্মুক্ত।
দুটো মাধ্যমের নেতিবাচক দিকগুলো নির্মূল করা গেলে একে অন্যের সমান্তরালে থেকে বাস্তব ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে দেশ ও জনগণের সাথে একাত্ম হয়ে সমাজ তথা রাষ্ট্র থেকে সকল অন্যায়,দুঃশাসন ও শোষণ বঞ্চনা সমূলে উচ্ছেদ করতে সহযোগী হবে বলে আমরা মনে করি।
সুতরাং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা সোশ্যাল অনেক সময় মূলধারার গণমাধ্যম হতে অধিকতর শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও মূলত একে অন্যের পরিপূরক।
সোশ্যাল মিডিয়া প্রযুক্তি নির্ভর,এবং বর্তমান অন্যান্য মূল ধারার গণমাধ্যমগুলোও নিজেদের সংবাদ উপস্থাপন ও সংবাদ পরিবেশনে যথেষ্ট প্রযুক্তি নির্ভর পরিবর্তন এনেছে।
দুটো মাধ্যমই সমান্তরালে জনকল্যাণে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম।